
পটুয়াখালী থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক:-গত ১৭ জুলাই পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান লাভলু কাজীর পাকা স্থাপনা রাতের আধারে কে বা কারা ভেঙ্গে দিয়েছে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী এর নাম উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাকসুদ আহমেদ বায়জীদ পান্না।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সবুজবাগস্থ একটি হোটেলে আয়োজিত প্রেসব্রিফিং-এ লিখিত বক্তব্যে মাকসুদ আহমেদ বায়জীদ পান্না মিয়া বলেন, “সাংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। লাভলু কাজীর স্থাপনা ভাংচুর নিয়ে কোন কিছুই জানেন না। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল আলতাফ হোসেন চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে তাকে জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে মাকসুদ আহমেদ বায়জীদ আরও বলেন, “মাননীয় সাংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী এ স্থাপনা ভাংচুর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সরকারি জমিতে যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে থাকেন সে যদি আমাদের দলের কোন নেতা কর্মীও হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী।”
সংবাদ সম্মেলনে মাকসুদ আহমেদ বায়জীদ পান্না মিয়া বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাড়ি সুরাইয়া ভবনে ৭/৮ বার হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। তিনি (আলতাফ চৌধুরী) যদি চাইতেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বাড়ি ঘরে হামলা করে ক্ষতি করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীও প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না।”
জনাকীর্ন সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপি নেতা মাকসুদ আহমেদ বায়জীদ পান্না মিয়া, কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মত একজন জনপ্রিয় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এর নাম উল্লেখ করে মিথ্য ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এ সময় জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বার এর সাবেক সভাপতি অ্যাড. এটিএম মোফাজ্জেল হোসেন তপন, বার’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শরীফ মো. সালাউদ্দিন, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তৌফিক আলী খান কবির, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাড. মহসীন উদ্দিন, বার’র সভাপতি মজিবুর রহমান দুলাল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আরিফ ও বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতা- কর্মী উপস্থিত ছিলেন।