1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
বিরামপুর শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: লিখিত আবেদনেও নীরব প্রশাসন, ক্ষোভ স্থানীয়দের৷৷ - অপরাধ সংবাদ
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিরামপুরে মানব পাচার ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবেলায় রেফারেল পথনির্দেশনা ও এসওপি প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত৷৷  কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার সৌন্দর্য বর্ধনের সকল ঐতিহ্য! গলাচিপায় অবসর ভাতা না পেয়ে চরম অর্থকষ্টে প্রবীণ শাহজাহান৷৷ বিরামপুরে এলজিইডির কর্মশালা: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনার দিগন্ত৷৷  মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন৷৷  দশমিনায় নৌযান শুমারি-২০২৬ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত৷৷  বিরামপুর শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: লিখিত আবেদনেও নীরব প্রশাসন, ক্ষোভ স্থানীয়দের৷৷ দিনাজপুরে আমন চাষের প্রস্তুতি জোরদার, লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৭২ হাজার ৫৫০ হেক্টর৷৷ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে টানা দুইবার সেরা ইউএনও গলাচিপার ইজাজুল হক৷৷  পটুয়াখালীতে গৃহবধূ তানিয়া হ/ত্যা: অভিযুক্তদের গ্রে/প্তার ও ফাঁ/সির দাবিতে মানববন্ধন৷৷ 

বিরামপুর শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: লিখিত আবেদনেও নীরব প্রশাসন, ক্ষোভ স্থানীয়দের৷৷

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

এমডি রেজওয়ান আলী, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:- দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়া পদে নিয়োগে অনিয়ম ও জাল শিক্ষাসনদ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,প্রায় ৩-৪ মাস আগে থেকেই বিভিন্ন দপ্তরে এ সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা তথ্য প্রকাশ পেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান আয়া পদে কর্মরত লাকি আক্তার নামে এক নারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভুয়া অষ্টম শ্রেণির শিক্ষাসনদ ব্যবহার করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।অভিযোগ কারীদের মতে,তিনি ওই বিদ্যালয়ের কোনো সময়ের ছাত্রী ছিলেন না। তার জন্মস্থান বিরামপুরের ইসলামপাড়া এলাকায় এবং দুই বছর আগে দিওড় ইউনিয়নের মানুষমুড়া গ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ,বিগত সরকারের প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির সহায়তায় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ওই শিক্ষাসনদ ব্যবহার করে আয়া পদে চাকরি নেওয়া হয়। অষ্টম শ্রেণির সনদ স্বাক্ষর করেছিল  ছিল প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান মাস্টার,তিনি এখনো প্রধানের দায়িত্বে বিদ্যমান রয়েছেন।
এ বিষয়ে দিওড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং দিনাজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগকারী মো. রফিকুল ইসলামের দাবি,“আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। অভিযুক্ত ব্যক্তি এখনও বিদ্যালয়ে চাকরি করে যাচ্ছেন।”
এ ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। তারা মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত না হলে দুর্নীতি আরও উৎসাহিত হবে এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উক্ত বিষয়ে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করার জোর দাবি জানান এলাকাবাসী। তবে স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad