1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লায় নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনীর টহল। ভোরের আগুন কেড়ে নিল জীবনের সম্বল—গৌরীপুর বাজারে সর্বনাশ। সরাইল উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিবসহ ৯ নেতা বহিষ্কার। আইন অমান্য করে ইটভাটা পরিচালনা—বরুড়ায় দুই ভাটায় আড়াই লাখ টাকা দণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ কুমিল্লায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০ সিরাজগঞ্জে -১ আসনের নারী প্রার্থী মল্লিকা যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে লাইসেন্স ছাড়া সম্প্রচারে ৩ বছরের জেল বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা

লাইসেন্স ছাড়া সম্প্রচারে ৩ বছরের জেল বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স রিপোর্ট

 

বিভিন্ন সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সুসংগঠিত করাসহ তদারকির জন্য সম্প্রচার কমিশন গঠন করছে সরকার। একই সঙ্গে সম্প্রচার সংশ্লিষ্ট নানা অনিয়মের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৬’ এর খসড়া করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এখন খসড়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে মতামত দেওয়া যাবে।
খসড়া অধ্যাদেশ অনুযায়ী টেরিস্ট্রিয়াল, স্যাটেলাইট এবং ক্যাবল টেলিভিশন ও রেডিও, আইপি টিভি ও রেডিও, ডিটিএইচ, এফএম ও কমিউনিটি রেডিও, ওটিটি, স্ট্রিমিং ও ভিডিও অন ডিমান্ড সম্প্রচার মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত অনলাইন ইনফোটেইনমেন্ট পোর্টাল, অ্যাপস ও ভিডিও স্ট্রিমিং কার্যক্রমের আওতায় আসবে। তবে ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট বা অপেশাদার কনটেন্ট এ অধ্যাদেশের বাইরে থাকবে।
লাইসেন্স ও কমিশনের অনুমতি ছাড়া সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারের দেওয়া নির্দেশনা পালনে ব্যর্থতা, গোপনীয় সামরিক-বেসামরিক তথ্য-উপাত্ত প্রচার, অনুমোদনহীন ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচার এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পণ্যের বিজ্ঞাপনে প্রদর্শন করলে বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হবে। খসড়া অনুযায়ী, কোনো সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান যদি লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা ও লাইসেন্স নেওয়ার আগে কমিশনের সুপারিশ গ্রহণ না করে সম্প্রচার কার্যক্রম চালায়, তাহলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা ১০ থেকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।
জাতীয় ইস্যু ও জনস্বার্থে সরকারের নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হলে সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকারি অনাপত্তি ছাড়াই সম্প্রচার যন্ত্রপাতি আমদানি করে সম্প্রচার কার্যক্রম চালালে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫ থেকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে- এমন গোপন সামরিক বা বেসামরিক তথ্য প্রচার করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা এক থেকে ১০ লাখ টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া লাইসেন্সবিহীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাজি ও জুয়া, তামাকজাত ও মদজাতীয় পণ্য, কিংবা বিভ্রান্তিকর ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে বলে খসড়া অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, সচিবালয়, আদালত, সেনানিবাস বা কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠানের দৃশ্য পণ্যের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, এসব অপরাধে আরোপিত সব অর্থদণ্ড ‘পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট-১৯১৩’ অনুযায়ী আদায় করা হবে। খসড়া অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, এ অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচারের জন্য সরকার সম্প্রচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে। একজন বিচারকের সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজদের মধ্য থেকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করবে। সরকার সময়ে সময়ে মামলার সংখ্যা অনুপাতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়াতে পারবে। বিচারক মামলার অভিযোগ গঠনের ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করবেন। খসড়া অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সরকার সম্প্রচার কমিশন গঠন করবে। কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব হবে উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা কাঠামোর অধীনে সরকারি-বেসরকারি সম্প্রচার কার্যক্রম সুসংগঠিত করা এবং বিষয়বস্তু সম্প্রচারের মানদণ্ড ও নীতিমালা প্রণয়ন ও এর যথাযথ প্রতিপালন তদারকির মাধ্যমে তথ্যের অবাধ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রবাহ নিশ্চিত করা। এজন্য কমিশন সম্প্রচার লাইসেন্স প্রদানের বিষয়ে সরকারকে সুপারিশ করবে, সম্প্রচারকারীদের জন্য আচরণবিধি, এসওপি ও নির্দেশিকা প্রণয়ন করবে এবং সেসব নীতিমালা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা তদারকি করবে। কমিশনের কিছু নির্দেশনার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী সরকারের কাছে আপিল করা যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট