
এ কে এম শামছুল হক “সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)নিজস্ব প্রতিনিধি:-গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাড়তি সুবিধা নিতে অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ২০৯ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ১সেপ্টম্বর রাত ৯টার দিকে উপজেলার শোভাগঞ্জ বাজারে মেসার্স শাজাহান ট্রেডার্সের গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর শাজাহান মিয়া।
অভিযানে গোডাউন থেকে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি (পটাশ) সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে এসব সার গোডাউনে রাখা হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর শাজাহান মিয়ার ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জব্দ করা সার আমার জিম্মায় রেখেছে। পরবর্তীতে জব্দ করা এসব সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। একই অবৈধভাবে মজুদ করার জন্য
৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।’সচেতন মহলের দাবী এই অবৈধ অবৈধ মজুদকৃত সারের বস্তাগুলোর সরবরাহ কারীপ্রতিষ্টান খুঁজেবের করে আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দিতে হবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃর্ষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।