1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ ও সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর  কথিত উন্নয়ন সমন্বয়ক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে  শতকোটি টাকা লুটের অভিযোগ - অপরাধ সংবাদ
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
এমপি হওয়ার পর প্রথম সফর: বিজয়নগরের চান্দুরায় নাদিয়া পাঠান পাপনকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা কে এই সম্পাদক নামধারী বাটপার !!!  ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার৷ সারাদেশের ভূমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা মুগদা এলাকায় মাথাবিহীন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার ভয়েস অব কাজিপুরের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বিজয়নগরের লিচু দেশের চাহিদা মিটিয়ে এবার বিদেশের পথে বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে কৃষক দলের নতুন নেতৃত্ব সভাপতি রেজওয়ান,সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত বিজয়নগরে উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কসবা উপজেলায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃ’ত্যু বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ ও সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর  কথিত উন্নয়ন সমন্বয়ক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে  শতকোটি টাকা লুটের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৫৩ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স রিপোর্ট :-কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ ও সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কথিত উন্নয়ন সমন্বয়ক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে গত চার বছরে শতকোটি টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ঠিকাদার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর তথ্য অনুযায়ী টেন্ডার বাণিজ্য, অযোগ্য ঠিকাদার দিয়ে কাজ, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতিমধ্যে কুমিল্লা কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে।
২০২২ সালের ২৬ জুন পল্লী এলাকায় পানি সরবরাহ প্রকল্পের (দরপত্র আইডি ৭০৮৬৪২) কাজের আদেশ দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ছয় মাসে, কিন্তু মাত্র চার দিনের মধ্যে (৩০ জুন) ‘কাজ সম্পন্ন’ দেখিয়ে আড়াই কোটি টাকার চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। ওই প্রকল্পে ১০০টি গভীর নলকূপ ও সমান সংখ্যক আয়রন রিমুভাল প্ল্যান্ট স্থাপনের কথা ছিল।
একই প্রকল্পের চারটি প্যাকেজে (আইডি ৭০৮৬৩৭, ৭০৮৬৩৮, ৭০৮৬৩৯, ৭০৮৬৪১) দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, অস্বাভাবিকভাবে কম অভিজ্ঞতা শর্ত এবং প্রাক্কলিত মূল্য কমিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদাররা জানান, কার্যাদেশ পেতে নাসরুল্লাহ ও কামাল হোসেন মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নিতেন।
অভিযোগ রয়েছে, নাসরুল্লাহ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও বিলাসবহুল বাড়ির মালিক হয়েছেন। চট্টগ্রামের খুলশীতে পাঁচতলা ভবন, কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে প্রায় ৫০ একর জমি এবং ঢাকার পূর্বাচলে ১০ কোটি টাকায় প্লট কেনার তথ্য স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তার স্ত্রী সুরাইয়া সানজিদা চৌধুরী চট্টগ্রাম বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক এবং পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের নামে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী নাসরুল্লাহর বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতিতে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগও এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দুদকের গোপন প্রতিবেদনে উল্লেখিত একাধিক হোটেল ও রিসোর্টে ব্যক্তিগত বৈঠক করে এসব ‘লেনদেন’ করতেন।
যোগাযোগ করলে নাসরুল্লাহ সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমার আত্মীয়দের একাউন্ট থাকতেই পারে, তাতে লেনদেনও হতে পারে, কিন্তু এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।” মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বদলি করানোর অভিযোগও তিনি নাকচ করেন।
দুদক কুমিল্লা অফিস জানায়, তারা ইতিমধ্যে একটি অভিযান পরিচালনা করে গোপন প্রতিবেদন দাখিল করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। সুএ:- দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট