1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
শিল-পাটার আঘাতে ছেলের হাতে ঘুমন্ত বাবা খু/ন: আ/টক-১৷৷ - অপরাধ সংবাদ
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে কলম- বৃষ্টির মধ্যেই পরীক্ষা দিলো শিক্ষার্থীরা৷৷ বীরগঞ্জ থানার উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন৷৷  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ, আগুনে পুড়ে ধ্বংশ৷৷ সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলী বললেন, “আমরা এখনো কাজ শুরু করিনি” গলাচিপায় পানিতে ডুবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু৷৷ বাউফলে বাকপ্রতিবন্ধীকে ধ/র্ষণে; অভিযুক্ত আনোয়ার বয়াতী’ র‌্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেফতার৷৷  পটুয়াখালী শিল্পী কল্যাণ সমিতির বর্ষা বরণ অনুষ্ঠিত৷৷ মির্জাগঞ্জে দালালমুক্ত ভূমি অফিস গড়তে প্রশাসনের অভিযানে আটক-১”” খরস্রোতা পায়রা নদীর কড়াল থাবায় পটুয়াখালী সদরের ছোটবিঘাই ইউনিয়নের ৪টি গ্রাম প্রায় বিলীন হওয়ার পথে৷৷ জলাবদ্ধতার কবলে পটুয়াখালী শহর, দ্রুত পদক্ষেপ চান বাসিন্দারা৷৷

শিল-পাটার আঘাতে ছেলের হাতে ঘুমন্ত বাবা খু/ন: আ/টক-১৷৷

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী  থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক :-পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মাদকের ভয়াল থাবায় এক পারিবারিক নৃশংসতার ঘটনা ঘটেছে। মাদকাসক্তির জেরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এক যুবক তার ঘুমন্ত বাবাকে মসলা বাটার শিল-পাটা দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
​শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
​নিহত ব্যক্তির নাম উত্তম দেবনাথ (৬০)। তিনি ওই এলাকার মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে এবং পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথ (৪০)-কে আটক করেছে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ।
​স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে দিনমজুর উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস ঘরের ভেতরে ঘুমাতে যান। আর উত্তম দেবনাথের স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমান।
​ভোররাত ৪টার দিকে হঠাৎ তাপস দেবনাথ বিছানা থেকে উঠে ঘরে থাকা মসলা বাটার ভারী শিল-পাটা দিয়ে তার ঘুমন্ত বাবার কপালে সজোরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই উত্তম দেবনাথের মৃত্যু হয়। এ সময় স্বামীর আত্মচিৎকার শুনে স্ত্রী কানন দেবনাথ দ্রুত ঘরে ছুটে যান এবং রক্তাক্ত ও বীভৎস অবস্থা দেখে চিৎকার করতে করতে প্রতিবেশীদের জানান। পরে প্রতিবেশীরা এসে লাশ দেখে থানায় খবর দেয়।
​স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত তাপস দেবনাথ প্রায় ১৫ বছর আগে স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকান চালাতেন এবং এলাকায় ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি তীব্র মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে পড়েন। অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে একপর্যায়ে তিনি মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এই মাদকাসক্তি ও মানসিক বিকৃতির কারণে তার স্ত্রী ও সন্তানও তাকে ছেড়ে চলে যায়।
​খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত তাপস দেবনাথকে আটক করে হেফাজতে নেয়।
​মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ঘটনাস্থল থেকে আসামিকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad