1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কচুয়ায় পেট্রোল পাম্পে তেল বাণিজ্যে অনিয়মের অভিযোগ অতিরিক্ত টাকায় ‘গোপন সরবরাহ’, বঞ্চিত সাধারণ গ্রাহক - অপরাধ সংবাদ
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
এমপি হওয়ার পর প্রথম সফর: বিজয়নগরের চান্দুরায় নাদিয়া পাঠান পাপনকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা কে এই সম্পাদক নামধারী বাটপার !!!  ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার৷ সারাদেশের ভূমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা মুগদা এলাকায় মাথাবিহীন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার ভয়েস অব কাজিপুরের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বিজয়নগরের লিচু দেশের চাহিদা মিটিয়ে এবার বিদেশের পথে বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে কৃষক দলের নতুন নেতৃত্ব সভাপতি রেজওয়ান,সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত বিজয়নগরে উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কসবা উপজেলায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃ’ত্যু বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

কচুয়ায় পেট্রোল পাম্পে তেল বাণিজ্যে অনিয়মের অভিযোগ অতিরিক্ত টাকায় ‘গোপন সরবরাহ’, বঞ্চিত সাধারণ গ্রাহক

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি | 

চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার খাজুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত মেসার্স খাজা ফিলিং এন্ড অটো গ্যাস স্টেশন পেট্রোল পাম্পে তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি অসাধু চক্র পাম্পের কিছু কর্মচারীর সঙ্গে যোগসাজশ করে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে নির্ধারিত সীমার বাইরে তেল সরবরাহ করছে।
অভিযোগ রয়েছে, যেখানে একজন গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে, সেখানে গোপনে অতিরিক্ত অর্থ দিলে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ গ্রাহকরা তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, পাম্পে যেদিন তেল সরবরাহ আসে, সেদিন শত শত মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে মানুষ সিরিয়ালে অপেক্ষা করেন। কিন্তু অনিয়মের কারণে অনেকেই শেষ পর্যন্ত তেল পান না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
এদিকে, স্থানীয় ইউপি সদস্য তাজুল ইসলামের নামেও পাম্প থেকে তেল বাইরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
অন্যদিকে, স্থানীয় এক চা দোকানদার আবদুল হালিমকে ৫০০ টাকার তেল বহন করার সময় আটক করা হলে তিনি দাবি করেন, “এসব তেল তাজুল মেম্বারের মাধ্যমে পুলিশের জন্য নেওয়া হচ্ছে।”
তবে একাধিক সূত্র জানায়, পাম্পের উত্তর পাশে একটি চা দোকানে প্রথমে বোতলে তেল নেওয়া হয় এবং পরে তা ড্রামে ভরে বাইরে বিক্রি করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—এ ধরনের অনিয়মের দায়ভার কে নেবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী? স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তেল বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট