1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ হারুনের অভিযোগ - অপরাধ সংবাদ
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
৪৮ লাখ ডলারে বিক্রি গরু, গিনেস রেকর্ডে নাম ‘ভিয়াতিনা-১৯’-এর সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: ৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক যুবক ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিনদিন ব্যাপী শিশু নাট্যমের বার্ষিক আর্ট ক্যাম্প সমাপ্ত ও ৪০ বছর পূর্তি উদযাপন ফ্রিল্যান্সিং শিখেই আয়! যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রি প্রশিক্ষণে মিলবে ভাতা, খাবার ও সনদ পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীসহ সারাদেশে  জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা   অতি দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ শুরুর ঘোষণা দেন পানিসম্পদমন্ত্রী। বিজয়নগরে ​মায়ের ইচ্ছা পূরণে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়ি ফিরলেন ৪ ভাই সিরাজগন্জের কাজিপুরে  ব্রাকের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ সিরাজগন্জের  জেলা প্রশাসক কাজিপুরে হুইলচেয়ার স্প্রে মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন  বিজয়নগরে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের সাথে গরুবাহী পিকআপের সংঘর্ষ, রক্ষা পেলেন চালক

কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ হারুনের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৮১৪ বার পড়া হয়েছে

অন্জনা স্টাফ রিপোর্টার- প্রতিনিধিঃ বৈধ কাগজপত্র থাকার পরেও হয়নারীর শিকার হচ্ছেন বলে দাবী করেছেন এক গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ হারুন। তিনি কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর পুত্র। এই ঘটনায় আজ শনিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিএডিসির একটি গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল্লাহ হারুনের পিতা  শাহজাহান আলী। সেসময়ে তার চাচা নুরুল ইসলাম ওই সেচের অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  এরপর ১৯৮৮ সালে ওই সেচের সবকিছু চুরি হয়ে যায়। ফলে তখন থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সংযোগটি পুরোপুরি বন্ধ থাকে।  ২০০৫ সালে পানাসী প্রকল্পের মাধ্যেমে ৯টি পোল μয় করে দফায় দফায় মিটিং করে ৬ জন্য ব্যক্তিকে শেয়ার দিয়ে অনেক অর্থ ব্যয়ে ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়ে সংযোগটি চালু করেন আব্দুল্লাহ হারুন।  এরপর গত ০২/১২/২০১২ তারিখে আবারো ওই সংযোগের ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি হয়ে যায়।  কৃষকের স্বার্থে  ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে আবারো সেটি চালু করেন হারুন।
এরপর ২০১৭ সালে বোরিং নষ্ট হয়ে গেলে হারুন তখনো কৃষকের কথা ভেবে তিনটি শ্যালো মেশিন  ও তিনটি মটর বসিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত কৃষককে সেচ প্রদান করেন।
২০২০ সালে বিএডিসির এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে  সকল প্রক্রিয়া মেনে  সংযোগটি চালু করেন হারুন।
এদিকে পারিবারিক কোন্দলের জের ধরে হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম নিজেকে ওই সেচ সংযোগের ম্যানেজার দাবী করে কাজিপুর সংশ্লিষ্ট অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন এবং সেচ সংযোগটি দখল করেন। পরে এ নিয়ে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেচ কমিটির সভাপতি উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র যাচাই করে আব্দুল্লাহ হারুনকেই বৈধ বলে রায় দেন। এরপর শালিশি বৈঠকে মাইজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সংযোগটি আব্দুল্লাহ হারুনকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তখন থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম সংযোগটি নিয়ে তাকে বারবার হয়রানী করছেন বলে জানান আব্দুল্লাহ হারুন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি হয়রানী বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট