1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
গলাচিপায় ছেঁড়া কম্বল, মানুষের দেয়া খাবার আর অন্যের সহায়তায় চলছে রেকসনার জীবন: একটু সহায়তার অপেক্ষায় অসহায় পরিবার৷৷  - অপরাধ সংবাদ
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পবিপ্রবিতে ইয়ুথ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত৷৷  পটুয়াখালী জেলা মহিলা পরিষদের নতুন কমিটিতে সভাপতি শিরীন, সম্পাদক মোর্শেদা৷৷  গলাচিপায় ছেঁড়া কম্বল, মানুষের দেয়া খাবার আর অন্যের সহায়তায় চলছে রেকসনার জীবন: একটু সহায়তার অপেক্ষায় অসহায় পরিবার৷৷  সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় এমপি শ্যামলকে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শুভেচ্ছা৷৷ বিজয়নগরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ১৫!! হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সদস্য হতে পেরে গর্বিত — এস কে ইয়াছিন৷৷  লোহালিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মহিবুল্লাহ৷৷  বরুড়ায় ইমাম-মুয়াজ্জিনের সরকারি অনুদান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ; তদন্তে প্রকৃত মসজিদকে অনুদান দেওয়ার দাবি৷৷       পটুয়াখালীতে বিভিন্ন আয়োজনে মহিলা পরিষদের ৬ষ্ঠ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত৷৷  পটুয়াখালীতে সড়ক দু/র্ঘটনায় শরিয়তপুরের এক যুবকের মৃ/ত্যু৷৷ 

গলাচিপায় ছেঁড়া কম্বল, মানুষের দেয়া খাবার আর অন্যের সহায়তায় চলছে রেকসনার জীবন: একটু সহায়তার অপেক্ষায় অসহায় পরিবার৷৷ 

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক:-গলাচিপা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরখালী গ্রামের বাসিন্দা রেকসোনা। স্বামীকে হারানোর পর চার মেয়েকে নিয়ে প্রতিদিনই তাকে লড়তে হচ্ছে বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রামে। নিজের কোনো জমি বা ঘর নেই। অন্যের জায়গায় ছোট্ট একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে কোনোমতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
ঘরের চারপাশে পাতার জীর্ণ বেড়া। মাথার ওপর টিনের ছাউনি নেই—পলিথিন দিয়েই কোনোরকমে ঢেকে রাখা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই পলিথিন ভেদ করে ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। রাতভর মাটির ভেজা মেঝেতে চার মেয়েকে নিয়ে নির্ঘুম কাটাতে হয় রেকসোনাকে।
চরম দারিদ্র্যের কারণে চার মেয়ের কাউকেই নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারছেন না তিনি। দুবেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে লেখাপড়ার খরচ বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফলে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে চারটি শিশুর ভবিষ্যৎ।
রেকসোনার সংসার চলে মানুষের দান-অনুদান, পুরোনো কাপড়, ছেঁড়া কম্বল এবং প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভর করে। কোনো দিন খাবার জোটে, কোনো দিন জোটে না। তবুও সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রেকসোনার মতো অসহায় মানুষের জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। একটি নিরাপদ ঘর, খাদ্য সহায়তা এবং শিশুদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা গেলে পরিবারটি নতুন করে বাঁচার আশা ফিরে পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad