1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
গলাচিপায় ছেঁড়া কম্বল, মানুষের দেয়া খাবার আর অন্যের সহায়তায় চলছে রেকসনার জীবন: একটু সহায়তার অপেক্ষায় অসহায় পরিবার৷৷  - অপরাধ সংবাদ
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পবিপ্রবি’র মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে সংবর্ধনা প্রদান৷৷  এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পটুয়াখালীতে বইছে আনন্দের বন্যা!! কুষ্টিয়ায় মায়ের ত্যাগ আর সিদ্ধার্থের পরিশ্রমে এলো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য জিপিএ -৫৷৷ খড়মপুর শাহ্ পীর কল্লাহ্ শহীদের ওরশ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার৷৷  বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় স্বীকৃতি পেল অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী৷৷  গলাচিপায় সর্প দংশনে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন৷৷  পটুয়াখালীতে মা/দক মা/মলায় সা/জাপ্রা/প্ত পলাতক আসামি গ্রে/প্তার৷৷ পটুয়াখালী শহরে চোরের উপদ্রুপ বৃদ্ধি, আ/ত/ঙ্কে ব্যবসায়ীরা৷৷ মাধবপুরে লরি-ট্রাকের সংঘর্ষ, সিএনজির ওপর ট্রাক উঠে নিহত ২৷৷

গলাচিপায় ছেঁড়া কম্বল, মানুষের দেয়া খাবার আর অন্যের সহায়তায় চলছে রেকসনার জীবন: একটু সহায়তার অপেক্ষায় অসহায় পরিবার৷৷ 

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক:-গলাচিপা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরখালী গ্রামের বাসিন্দা রেকসোনা। স্বামীকে হারানোর পর চার মেয়েকে নিয়ে প্রতিদিনই তাকে লড়তে হচ্ছে বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রামে। নিজের কোনো জমি বা ঘর নেই। অন্যের জায়গায় ছোট্ট একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে কোনোমতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
ঘরের চারপাশে পাতার জীর্ণ বেড়া। মাথার ওপর টিনের ছাউনি নেই—পলিথিন দিয়েই কোনোরকমে ঢেকে রাখা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই পলিথিন ভেদ করে ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। রাতভর মাটির ভেজা মেঝেতে চার মেয়েকে নিয়ে নির্ঘুম কাটাতে হয় রেকসোনাকে।
চরম দারিদ্র্যের কারণে চার মেয়ের কাউকেই নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারছেন না তিনি। দুবেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে লেখাপড়ার খরচ বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফলে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে চারটি শিশুর ভবিষ্যৎ।
রেকসোনার সংসার চলে মানুষের দান-অনুদান, পুরোনো কাপড়, ছেঁড়া কম্বল এবং প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভর করে। কোনো দিন খাবার জোটে, কোনো দিন জোটে না। তবুও সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রেকসোনার মতো অসহায় মানুষের জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। একটি নিরাপদ ঘর, খাদ্য সহায়তা এবং শিশুদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা গেলে পরিবারটি নতুন করে বাঁচার আশা ফিরে পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad