1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কয়রায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান আতঙ্কে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা - অপরাধ সংবাদ
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন বিরামপুর বিএডিসি (সার) গোডাউনের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশীষ কুমার সরকার ঈদুল আযহা উপলক্ষে দিওড় ইউনিয়নে অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ দেড় ঘণ্টার কালবৈশাখীতে লন্ডভন্ড সুন্দরগঞ্জ, অন্ধকারে ৮০ হাজার গ্রাহক এমপি হওয়ার পর প্রথম সফর: বিজয়নগরের চান্দুরায় নাদিয়া পাঠান পাপনকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা কে এই সম্পাদক নামধারী বাটপার !!!  ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার৷ সারাদেশের ভূমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা মুগদা এলাকায় মাথাবিহীন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার ভয়েস অব কাজিপুরের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বিজয়নগরের লিচু দেশের চাহিদা মিটিয়ে এবার বিদেশের পথে বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে কৃষক দলের নতুন নেতৃত্ব সভাপতি রেজওয়ান,সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত

কয়রায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান আতঙ্কে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

কয়রা প্রতিনিধি

 

কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের গাজী আব্দুল জব্বার হাইস্কুল এন্ড কলেজের পাঠদান চলছে পরিত্যক্ত জরাজীর্ণ ভবনে। দীর্ঘ বছর ধরে ভবনটির বেহাল দশা ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ছাত্র-ছাত্রী-শিক্ষকরা। এই ঝুঁকি ও আতঙ্ক নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটিতে। শ্রেণিকক্ষের ছাদ ও পিলারে ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়া, রড বেরিয়ে আসা এবং বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার মত সমস্যা। ফলে শিক্ষার্থীরা সবসময় ভবন ধসের আতঙ্কে থাকে, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বিঘ্ন ঘটে।

উপকূলের এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে দীর্ঘবছর উপকূলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্ট এর সহযোগিতায় ২০০০ সালে একাডেমিক ভবনটি নির্মাণ হয়। কিন্তু আয়লা, ইয়াস, রিমাল, ঘূর্ণিঝড়ে ভেড়িবার্ধ প্লাবিত হয়ে বারবার নোনা পানিতে দীর্ঘ সময় ডুবে থাকার কারণে ভবনটি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়। পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটির জানালা, দরজা, ওয়াল কিছুই নাই আছে শুধু পরিত্যক্ত জরাজীর্ণ বেহাল দশার খুটি ভাঙ্গা ভবনটি।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষের ছাদ ভেঙ্গে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী আহত ও হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বইয়ের থেকে ছাদের দিকে বেশি তাকিয়ে থেকে কখন বুঝি এই ভেঙ্গে পড়ে,বিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসা বন্ধ করে দিছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, এই বিদ্যালয়ে এক সময় লেখাপড়ার মান অনেক ভালো ছিলো। এলাকার ছাত্র-ছাত্রী সব এখানে ভর্তি করতো, কিন্তু বেশ কয়েক বছর স্কুলের মুল ভবন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে আছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ফলে স্কুলের ভিতরে যেতে ভয় করে শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের কখন ভেঙ্গে মাথায় পড়ে। এই ভয়ে ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকরা স্কুল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। জরুরী একটা ভবন নির্মাণ করা হলে পুনরায় স্কুলের লেখা পড়ার মান ফিরে নিয়ে আসা সম্ভব।

উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিভাবক ও শিক্ষকরা বলেন, বিদ্যালয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে নতুন ভবনের দাবিতে অভিভাবক ও শিক্ষকরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানালেও দ্রুত সমাধান মিলছে না। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, ঝুকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে পাঠদানে মন বসে না। কারণ পরিবেশের সঙ্গে পাঠদান কার্যক্রমের নিবিড় সম্পর্ক আছে। টিনসেড এ অল্প জায়গায় অনেক ছাত্রছাত্রী ক্লাস নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মনোরম পরিবেশে পাঠদানের উপযুক্ত পরিবেশের জন্য একটা বড় ভবন প্রয়োজন।

কাজী আব্দুল জব্বার স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল সাইফুল্লাহ হায়দার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার মান উন্নত নিশ্চিত করতে জরাজীর্ণ এই ভবন দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজন। স্কুল এন্ড কলেজের মূল ভবনটি এখন ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে হচ্ছে। সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে কয়েকবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু সুফল মিলছে না।

কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যালয়টির মূল ভবন অনেক জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। নতুন ভবন আশু প্রয়োজন। আমি আমার ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে চেষ্টা করছি নতুন একটা ভবন বরাদ্দের জন্য।

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে। পাঠদানের জন্য প্রথম প্রয়োজন মনোরম পরিবেশে। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে এ-বিষয়ে কথা বলেছি খুব তাড়াতাড়ি এখানে স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট