
সাগর চৌধুরী :- ঈদ উপহারের ১০ কেজি চাউল দেওয়া হয়েছে ৭ থেকে ৮ কেজি৷ চেয়ারম্যান এর বিরোদ্ধে এলাকাবাসী ভিডিও সাক্ষাৎকারে অভিযোগ৷ এলাকাবাসীর অভিযোগ করে বলেন৷ সরকার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশের মত বরুড়াতে ও হত দরিদ্র পরিবারে বিতরণ করার জন্য ১০ কেজি চাউল ঈদ উপহার হিসেবে দিয়েছে৷ কিন্তুু এসব চাউল ডিজিটাল পাল্লা দিয়ে না মেপে পানির জগ দিয়ে মেপে বিতরণ করা হয়৷ তা করে ১০ কেজির পরিবর্তে ৭ থেকে ৮ কেজি হয়েছে৷ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা। কিন্তু কেন্দ্রে দেখা যায়, কেউ কেউ একাধিক কার্ড নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল উত্তোলন করছেন। কেউ কেউ সুবিধাভোগী নিজে উপস্থিত না হয়ে অন্যদের মাধ্যমে কার্ড পাঠিয়েছেন, যার সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যক্তি একাধিক বস্তা চাল সংগ্রহ করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক কার্ডে সুবিধাভোগীর নাম ও ঠিকানা পর্যন্ত উল্লেখ নেই, ফলে প্রকৃত দুস্থদের শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অপর দিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন উক্ত ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান সাবে সাপ্তাহে মাএ একদিন অফিসে আসেন যার ফলে জরুরী সেবা নিতে আসা’ ইউনিয়নবাসী দারুণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে৷ চাউল বিতরণ সম্পর্কে পয়ালগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান চাউল বিতরণ করার পর কিছু চাউল বাড়তি থাকে যেগুলো কার্ড ছাড়া কিছু মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে৷ যার প্রমান প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত৷ এছাড়া উক্ত ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান সাহেবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ যার সত্যতা করে আমরা জনস্বার্থে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করবো —