1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কুমিল্লার চান্দিনায়  ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে চরম অনিয়ম - অপরাধ সংবাদ
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
এমপি হওয়ার পর প্রথম সফর: বিজয়নগরের চান্দুরায় নাদিয়া পাঠান পাপনকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা কে এই সম্পাদক নামধারী বাটপার !!!  ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার৷ সারাদেশের ভূমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা মুগদা এলাকায় মাথাবিহীন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার ভয়েস অব কাজিপুরের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বিজয়নগরের লিচু দেশের চাহিদা মিটিয়ে এবার বিদেশের পথে বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে কৃষক দলের নতুন নেতৃত্ব সভাপতি রেজওয়ান,সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত বিজয়নগরে উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কসবা উপজেলায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃ’ত্যু বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

কুমিল্লার চান্দিনায়  ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে চরম অনিয়ম

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

চান্দিনা সংবাদদতা :- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছানো চালের বস্তা খুলে দেখা যায়, চালগুলো পঁচে গেছে এবং পোকায় জর্জরিত।
গত সপ্তাহে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় থেকে বাতাঘাসী ইউনিয়নের ১শ জন কার্ডধারীর জন্য ৩ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এড. সাদেকুর রহমান সেই চাল বিতরণ করেন। কিন্তু অন্তত ১৬ জন সুবিধাভোগী বাড়িতে গিয়ে চাল খুলে দেখেন, পুরো চাল পঁচা ও পোকার আক্রমণে অখাদ্য হয়ে গেছে। তারা সঙ্গে সঙ্গে ইউনিয়ন অফিসে চাল ফেরত নিয়ে আসেন।
চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান জানান, “আমি নিজে বস্তা খুলে দেখি চালগুলো কালচে হলুদ হয়ে গেছে এবং পোকার ভিড়ে ভরা। সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের জানাই।”
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা অভিযোগ করেন, খাদ্যগুদামে নষ্ট চাল থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অসাধু ব্যক্তিদের যোগসাজশে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।
উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাইমুল করিম টিটু দাবি করেন, “৭নং গুদামের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে কয়েকটি বস্তা নষ্ট হয়েছিল। শ্রমিকরা খেয়াল করেনি।” তবে সরেজমিনে দেখা যায়, সেই অংশে কোনো চালের বস্তা নেই এবং দীর্ঘ ছয় মাসে বৃষ্টি হয়নি। স্থানীয়রা এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট