1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কাজিপুরে দুইশ বছরের ঐতিহ্যের মাদার বাঁশের মেলা অনুষ্ঠিত। - অপরাধ সংবাদ
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিজয়নগরে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ১০টি ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ৷৷ জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে ভোগডোমা আশ্রয়নে নির্মিত স্কুল পরিদর্শন করলো দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু । আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষমা চাইল৷৷  উখিয়ায় মালিকবিহীন ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি শেষ হচ্ছে আজ (রোববার, ৩১ মে)। তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৷ চট্রগ্রামে  শিশুকে বাঁচাতে নিজের জীবন বিলিয়ে দেওয়ার এক চরম আত্মত্যাগ। পারিবারিক কলহের জেরে ভাবি ও  ভাতিজাকে  পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ৷ হজযাত্রীদের নিয়ে প্রথম ফিরতি ফ্লাইট আজ শনিবার (৩০ মে) সকালে জেদ্দা থেকে ঢাকায় এসেছে। জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে:—– রাষ্ট্রপতি

কাজিপুরে দুইশ বছরের ঐতিহ্যের মাদার বাঁশের মেলা অনুষ্ঠিত।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

অঞ্জনা চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার:

 

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় প্রতি বছরের মতো এবারেও অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী বাঁশের মেলা বা মাদার বাঁশের মেলা। সিরাজগঞ্জ কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের কুনকুনিয়া সর্দারপাড়ায় দুইশ বছরের পুরাতন এ মেলা জ্যৈষ্ঠ মাসের দ্বিতীয় রোববার বিকেল থেকে দোকানপাট বসে। চলে পরের দিন সোমবার বিকেল পর্যন্ত। তবে বাড়িতে বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনদের আসা-যাওয়া চলে সপ্তাহজুড়ে।

এ মেলাকে ঘিরে কুনকুনিয়া সর্দারপাড়া ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামে চলে আনন্দ-উৎসব। এলাকার প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনেরা আসেন। চলে খাওয়া-দাওয়া। বিশেষ করে জামাই-ঝি নিয়ে আসা হয় বাড়িতে বাড়িতে। অনেকটা ঈদের ছুটির মতো এই গ্রামের যারা বাইরে বা দেশের নানাস্থানে থাকেন তারা মেলা উপলক্ষে ছুটি নিয়ে চলে আসেন বাড়িতে।
এ মেলা হয় একটি বিশেষ বাঁশকে কেন্দ্র করে। অনেক আগে থেকে এখানকার মানুষেরা বাঁশকে মাদার পীর হিসেবে গণ্য করে। একটি বড় বাঁশকে লাল কাপড়ে মুড়িয়ে, চমর লাগিয়ে ও নানা রংয়ে সাজিয়ে ১৫-২০ জনের একটি দল বেরিয়ে পড়েন। ঢাক-ঢোল, সানাই বাজিয়ে গান গেয়ে বাড়ি বাড়ি যান তারা। এই দলটি মাদারের ধামাইল, লাঠিবাড়ি খেলা ও শারীরিক নানা কৎরত দেখান। বিনিময়ে অনেকেই টাকা পয়সা, চাল-ডাল, নারকেল, খাবারসহ নানা কিছু দান করেন। কেউ কেউ মানত করে বাড়িতে মাদার নিয়ে এসে ধামাইল দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। অনেক পরিবারের বউ ঝিদের উপর মাদারের আছর করে। মাদার চলাকালিন তারা মাছ মাংস কিছুই স্পর্শ করেন না। এসময় তিনি ঘরেই থাকেন । কারও সাথে কোন কথা বলেন না। তবে অনেক সময় গুণগুণ করে মাদারকে কেন্দ্র করে নানা গীত গাইতে থাকেন। যেমন হায়রে মাদারের খেলাগো, খেলমুইতো আমরা তো। আইসেন আইসেন বইসেন আপনিগো। বাড়িতে মাদার এনে ধামাইল দেয়ার পরে গোসল সেরে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন।
মাদারের মেলার আয়োজকদের একজন সাগর মিয়া বলেন, জন্মের পর থেকে মাদার খেলছি। আমাদের কয়েকপুরুষ ধরে এই প্রথা চলে আসছে। শেষদিন অর্থাৎ সোমবার মেলা বসে। মেলায় নানা ধরণের জিনিসপত্র আসে। অনেক কেনাকাটাও হয়। বিকেলে মাদারের বাঁশকে একটি বড় গাছের সাথে হেলান দিয়ে রেখে দেয়ার মাধ্যমে এই মেলা ও খেলার সমাপ্তি টানা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট