1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ - অপরাধ সংবাদ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন মাদক পাচারে নারীর সম্পৃক্ততা, বিজিবির অভিযানে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার বীরগঞ্জের কাজল গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আদিবাসী মহিলার মৃত্যু। ব্রাজিল প্রেমে দেড় লাখ টাকা খরচ, পতাকার রঙে বাড়ি রাঙালেন আখাউড়ার রুবেল পটুয়াখালীতে আর্জন্টিনিয়ার হাজার হাজার সমর্থকদের অংশগ্রহনে বর্ণাঢ্য র‍্যালী  বিরামপুরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চিরুনি অভিযান, ট্যাপেন্টাডলসহ তিন কারবারি গ্রেফতার বীরগঞ্জে ৯৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পুলিশ সুপারের ই-মেইল হ্যাকের চেষ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাইবার প্রতারক গ্রেফতার কাজিপুরে জব্দকৃত চালের নিলাম অনুষ্ঠিত বাউফলে বাক্ প্রতিবন্ধী অন্ধ কিশোরীকে ধ/র্ষণ, ধ/র্ষক গ্রেফতার

বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতি স্বাক্ষরে ১০ হাজার টাকা” — নক্সাকারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

 

শফিকুল ইসলাম বিরামপুর (দিনাজপুর)

দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভায় গৃহনির্মাণের নকশা অনুমোদনকে ঘিরে ঘুষ দাবি, হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার নক্সাকার এস এম রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পৌর এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ লাবণী খাতুন।
অভিযোগে বলা হয়, গৃহনির্মাণ ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি উত্তোলনের জন্য প্রয়োজনীয় নকশা অনুমোদনের আবেদন জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে তার ফাইল অনুমোদনের অপেক্ষায় রাখা হয়। সরকারি ফি পরিশোধের পরও “মিটিং খরচ” দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, নকশা অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষরের কথা বলে প্রতি স্বাক্ষরের বিপরীতে ১০ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়। একই সময়ে জমা দেওয়া অন্য আবেদন দ্রুত অনুমোদন পেলেও তার আবেদন দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে। ফলে গৃহনির্মাণ কাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক ঋণ প্রক্রিয়াও জটিল হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই অস্বচ্ছতা ও দালালচক্রের প্রভাব রয়েছে। সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ ও নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নক্সাকার এস এম রবিউল ইসলাম বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে।”
অন্যদিকে পৌর প্রশাসক তানজিনা খাতুন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,
“অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় সচেতন নাগরিকরা নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট