
ডেক্স রিপোর্ট :- কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার পি আই ও অফিসে কর্মরত ‘ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সফিকুল ইসলামের সম্পদের পরিমাণ জানলে মাথা ঘুরে যাবে৷ বিশ্বস্ত সুএ থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানাযায়৷ বেতন স্কেল ১১০০০–২৬৫৯০ চাকরি করে সফিকুল ইসলাম এত সম্পদের মালিক কি করে হয়েছে ? এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে৷ তবে কি তিনি আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন ? দীর্ঘ ১০ দিন যাবৎ আমাদের অনুসন্ধানী দল যে সব তথ্য পেয়েছে তা আমরা বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জনস্বার্থে তা আমাদের অনুসন্ধানী টিমের নিজ নিজ পএিকায় প্রকাশ করবো :– এ রিপোর্ট লিখার পুর্বে সফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য এ প্রতিবেদক সফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে অন্তত ৩০ বার ফোন দেওয়া হয়েছে৷ তিনি ফোন রিসিভ করেন নি৷
আজকের পর্ব :-
———————
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী
১/ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মৌজারখুতিয়াননং১৩১৯
দাগ নং২২৩ জমির পরিমান ৬ শতক মুল্য :- ১৬২৫০০০( ষোল লক্ষ ২৫ হাজার ‘ যা সফিকুল ইসলামের নিজ নামে
২/ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মৌজা :-কৃষ্ণনগর
খুতিয়ান নং :-৪৩৫ ‘ দাগ নং২৯০ ওয়াইফের নামে ‘ মুল্য ৬৬০০০০ ছয় লক্ষ ৬০ হাজার৷
৩/ কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার মৌজা কাশারিখোলা ‘ খুতিয়ান নং৫৬৩’ দাগ নং ৮৪৭ ও ৮৪৮ জমির পরিমান ১৬ শতক ‘হেবাবিলএওয়াজ দলিল মুলে মালিক সফিকুল ইসলামের ওয়াইফের নামে ‘ অভিযোগ আছে ‘ আইনগত জটিলতা এড়াতে উক্ত জমি সফিকুল ইসলাম নিজের টাকায় অন্যের নামে কিনে এমন দলিল সৃষ্টি করে৷
৪/ দেবিদ্বার উপজেলার ‘ মৌজা:- দেবিদ্বার’ দাগ নং ২৩০ জমির পরিমান ২.৫০ শতক করে মোট ৫ শতক যা সফিকুল ইসলামের নিজ নামে৷
৫/ আদর্শ সদর উপজেলার দ: চর্থা মৌজার ‘ খুতিয়ান নং ৩৭৯৩ ‘ দাগ নং ২১৮৩ জমির পরিমান ৩ শতক নিজনামে ‘ মুল্য ৩৫৩০০০০ পয়এিশ লক্ষ ৩০ হাজার৷
৬/ আদর্শ সদর উপজেলার মৌজা মনোহরপুর খুতিয়ান নং ১৮১৬ দাগ নং ৫১১ ফ্লাটবাড়ি ‘ সফিকুল ইসলামের ওয়াইফের নামে৷ মুল্য ২৬০০০০০ ছাব্বিশ লক্ষ৷
৭/ স্বর্নঅলংকার সফিকুল ইসলামের নিজের ৫ ভরি৷
ওয়াইফের ২২ ভরি৷ মোট ২৭ ভরি আনুমানিক মুল্য ৬৫০০০০০ পয়ষট্টি লক্ষ টাকা৷
৮/ সঞ্চয় ‘ প্রাইজবন্ড’ সঞ্চয় স্কিম ২১/০৯/২০২০ মুল্যের পরিমাণ ৩০০০০০০ এিশ লক্ষ টাকা ওয়াইফের নামে৷
৯/ নিজ নামে ব্যাংকে জমা ৫০২৪৮৷ ৫০ দুইশত আটচল্লিশ টাকা৷ যা বেতনের অংশ হিসেবে হিসেবে দেখানো৷
ওয়াইফের নামে ব্যাংকে জমা৷ ৯১৩২৪১৷ নয় লক্ষ তের হাজার দুইশত একচল্লিশ টাকা যা সঞ্চয় পএের লাভ হিসেবে দেখানো হয়েছে৷
১০/ জিপিএফ/সিফিএফ ৩০২৪৮৪৮৷ ৩০ লক্ষ চব্বিশ হাজার আটশআটচলিশ টাকা বেতন কর্তন হিসেবে দেখানো হয়েছে৷
১১/ ইলোকট্রনিক ও আসবাবপত্র ৫৫৫০০০৷ ৫ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার টাকা মুল্য৷
এখন প্রশ্ন হলো সফিকুল ইসলাম ২৬/১২/১৯৯৩ সালে চাকরিতে যোগদান করে ‘ এত অল্প সময়ে কি করে এত টাকার মালিক হলো এটাই প্রশ্ন৷ অথচ তিনি বেতন পান ১১০০০–২৬৫৯০ টাকা৷ এছাড়াও নামে সফিকুল ইসলামের অনেক সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ আছে৷ আমাদের অনুসন্ধানী দল অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে৷ সত্যতা প্রমানিত হলে বিস্তারিত পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে৷