
আবদুল্লাহ আল হৃদয়ঃ–
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস আগে জেলার মানুষ পাবে, এরপর অন্য জায়গায় যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের চান্দুরা ও বুধন্তী ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুবিন ফারহানা।
শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নে আয়োজিত ডাকবাংলা খেলার মাঠে এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া দেশের জ্বালানি খাতের বড় জোগানদাতা। অথচ এই জেলার মানুষই গ্যাস সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে। আল্লাহ যদি আমাকে এমপি হিসেবে কবুল করেন, তবে আমার প্রথম দাবি হবে— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস আগে এ জেলার মানুষ পাবে, তারপর তা অন্য জেলাগুলোতে যাবে।
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন সরাইল, আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগরের চান্দুরা ও বুধন্তী ইউনিয়নকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার, আমি তাই করবো। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন বিশ্ববিদ্যালয় হবে না? আমি নির্বাচিত হলে জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ও বেকারত্ব দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার থাকে না, মেশিন নষ্ট থাকে। আমি স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেব। বেকারত্ব দূর করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে আমাদের মা-বোনেরা যেন ঘরে বসে আয় করে তাদের স্বামী-সন্তানের পাশে দাঁড়াতে পারে, সেই ব্যবস্থা আমি করবো।
প্রবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের মানুষের কথা স্মরণ করে রুবিন ফারহানা বলেন, প্রবাসীদের অনেক সমস্যা ও চাওয়া-পাওয়া আছে। আমি কথা দিচ্ছি, সংসদে তাদের অধিকার নিয়ে আমি সোচ্চার থাকবো।
হাজী ছায়েদ মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং হাফিজুর রহমান আল আমিনের সঞ্চালনায় পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন মোঃ চমক মিয়া ও মোঃ বাবুল মিয়া।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী কাজী রফিকুল ইসলাম, মুন্সী আসাদুজ্জামান আসাদ, আশরাফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, লাফু মাস্টার, আইয়ুব আলী মেম্বারসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পথসভাটি বিশাল জনসভায় রূপ নেয় এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।