1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
নিয়ম ভেঙ্গে প্রশিক্ষণ প্রদান ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ কাজিপুরের সহকারি শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে। - অপরাধ সংবাদ
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ‎ সিরাজগন্জের কাজীপুর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মাসিক মিটিং সভা অনুষ্ঠিত৷৷      ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও গাজীপুরে সেনাবাহিনী মোতায়েন৷৷   টেলিভিশন চ্যানেলের ওয়েবসাইটের অনুকরণে অপতথ্য ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ১৬ টি ভুয়া ওয়েবসাইট ও ৪০০ অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত’৷৷  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘১৪ মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার৷৷  জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) অনিয়ম ঠেকাতে  নির্বাচন ভবনের আশপাশের অবৈধ কম্পিউটারের দোকান উচ্ছেদে ইসির চিঠি৷৷  ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ২২০৷৷ বাউফলে নেই শিক্ষার্থী তবুও চলছে ১৭জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম! পটুয়াখালীতে সাগর উত্তাল, মাছের অকাল, নিরাপদ আশ্রয়ে হাজার হাজার মাছধরা ট্রলার৷ মসজিদ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা চুরি, সিসিটিভি দেখে আটক ২

নিয়ম ভেঙ্গে প্রশিক্ষণ প্রদান ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ কাজিপুরের সহকারি শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ৯৭৬ বার পড়া হয়েছে

অঞ্জনা চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার-

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভেঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান অর্থ আত্মস্যাৎসহ নানা অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। প্রতিকার চেয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ অন্যান্য দপ্তরে পত্র প্রেরণ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ এক ঠিকাদার। এসএম শামিম রেজা নামের এই ঠিকাদার দুই যুগ যাবৎ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সামগ্রী সরবরাহের কাজে জড়িত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন কাজিপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে গত মে মাসে তিনি শিক্ষকদের ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। এ সংক্রান্ত পত্রে একসাথে তিরিশ জনের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া যাবে না মর্মে উল্লেখ থাকলেও তিনি ষাটজনকে এসাথে প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। এবং খরচের টাকা থেকে নিজে অর্থ গ্রহণ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক প্রশিক্ষনার্থী শিক্ষক বিষয়টি স্বীকার করেছেন।কিন্তু চাকুরির ভয়ে কেউ মুখ ফুটে কিছু বলেননি। শুধু তাই নয় ্ে িসহকারি শিক্ষা অফিসার তার ক্লাস্টারের আওতাধীন বিদ্যালয়গুলির রুটিন মেরামত, স্লিপের কাজ, ক্ষুদ্র মেরামত ও বিদ্যালয় সংস্কারের মতো নিয়ম ভেঙ্গে কাজগুলো নিজেই করেন। তার নিয়োগকরা ব্যক্তি কাজগুলো করেন। এরফলে ওই কাজের মান যাচাইয়ের আর কোন সুযোগই থাকছে না। তিনি নিজেই কাজের মান সন্তোষজনক বলে লিখিত প্রতিবেদন প্রদান করেন। সম্প্রতি তিনি পদাধিকার বলে তার ক্লাস্টারের বিদ্যালয়গুলোর সভাপতি হয়েছেন। এর ফলে তিনি আরও বেপরোয়াভাবে নিম্মমানের কাজ করছেন তার পছন্দের লোক দ্বারা। এদিকে প্রধান শিক্ষকেরা এই অফিসারের ভয়ে কিছু বলতেও পারেন না।
লিখিত অভিযোগে শামীম রেজা আরও জানান, গত ২০২৩ সালের কুড়িটি বিদ্যালয়ের কাজ করেন।এই কাজের বিল একলক্ষ টাকা শিক্ষকদের নিকট থেকে নিয়ে নেন সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ। তিনি মাত্র কুড়ি হাজার টাকা প্রদান করেন।বাকি৮০ হাজার টাকা এখনো পরিশোধ করেননি বলে জানান শামীম রেজা।

সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ ষাটজনের একসাথে প্রশিক্ষণের বিষয়ে বলেন, সময় ছিলো না।তাই এমনটি করেছেন। আর আশি হাজার টাকার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে জানান, আমি এসবের মধ্যে নেই।
শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad