1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ হারুনের অভিযোগ - অপরাধ সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গলাচিপায় জাল-নৌকা নিয়ে ঘাটে জেলেদের ভিড়, চলছে প্রকৃত জেলে শনাক্ত৷৷ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসার আগেই বাতাসে উপকারভোগীদের বসার প্যান্ডেল ভেঙে পড়েছে। বীরগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজা ও ৬০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হাশেম গ্রেপ্তার বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, ৫ কারবারি গ্রেফতার কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে  ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন৷৷  সারে ১১ কেজি গাঁজা ও ৩০ হাজার টাকার জাল নোট সহ মাদক ব্যবসায়ী র‌্যাব-৮ এর জালে আটক৷৷  বকেয়া বেতনের দাবিতে রাজধানী ঢাকার মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ৷৷  পটুয়াখালীতে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন মাদক পাচারে নারীর সম্পৃক্ততা, বিজিবির অভিযানে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার বীরগঞ্জের কাজল গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আদিবাসী মহিলার মৃত্যু।

কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ হারুনের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৮২৫ বার পড়া হয়েছে

অন্জনা স্টাফ রিপোর্টার- প্রতিনিধিঃ বৈধ কাগজপত্র থাকার পরেও হয়নারীর শিকার হচ্ছেন বলে দাবী করেছেন এক গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ হারুন। তিনি কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর পুত্র। এই ঘটনায় আজ শনিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিএডিসির একটি গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল্লাহ হারুনের পিতা  শাহজাহান আলী। সেসময়ে তার চাচা নুরুল ইসলাম ওই সেচের অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  এরপর ১৯৮৮ সালে ওই সেচের সবকিছু চুরি হয়ে যায়। ফলে তখন থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সংযোগটি পুরোপুরি বন্ধ থাকে।  ২০০৫ সালে পানাসী প্রকল্পের মাধ্যেমে ৯টি পোল μয় করে দফায় দফায় মিটিং করে ৬ জন্য ব্যক্তিকে শেয়ার দিয়ে অনেক অর্থ ব্যয়ে ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়ে সংযোগটি চালু করেন আব্দুল্লাহ হারুন।  এরপর গত ০২/১২/২০১২ তারিখে আবারো ওই সংযোগের ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি হয়ে যায়।  কৃষকের স্বার্থে  ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে আবারো সেটি চালু করেন হারুন।
এরপর ২০১৭ সালে বোরিং নষ্ট হয়ে গেলে হারুন তখনো কৃষকের কথা ভেবে তিনটি শ্যালো মেশিন  ও তিনটি মটর বসিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত কৃষককে সেচ প্রদান করেন।
২০২০ সালে বিএডিসির এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে  সকল প্রক্রিয়া মেনে  সংযোগটি চালু করেন হারুন।
এদিকে পারিবারিক কোন্দলের জের ধরে হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম নিজেকে ওই সেচ সংযোগের ম্যানেজার দাবী করে কাজিপুর সংশ্লিষ্ট অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন এবং সেচ সংযোগটি দখল করেন। পরে এ নিয়ে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেচ কমিটির সভাপতি উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র যাচাই করে আব্দুল্লাহ হারুনকেই বৈধ বলে রায় দেন। এরপর শালিশি বৈঠকে মাইজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সংযোগটি আব্দুল্লাহ হারুনকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তখন থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম সংযোগটি নিয়ে তাকে বারবার হয়রানী করছেন বলে জানান আব্দুল্লাহ হারুন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি হয়রানী বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট