1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
দুমকিতে নদীতে মিলছেনা ইলিশ,  স্থানীয় জেলেরা খালি হাতে ঘরে ফিরছেন৷৷  - অপরাধ সংবাদ
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
খুলনার  দৌলতপুরের কাশীপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক,এলাকায়  উত্তেজনা  বিরাজ করছে। খেলাধুলার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সাতবর্গ খেলার মাঠের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন৷৷  দুমকিতে নদীতে মিলছেনা ইলিশ,  স্থানীয় জেলেরা খালি হাতে ঘরে ফিরছেন৷৷  পটুয়াখালীতে এইচএসসি ও সমমান  পরীক্ষার ১ম দিনে অনুপস্থিত ৪২৮ জন৷৷  দুমকিতে ব্র্যাকের উদ্যোগে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ৷৷  জাতীয়  বাজেট বাস্তবায়নে পটুয়াখালীতে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত৷৷  গলাচিপায় কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা৷৷ বাগেরহাটে স্কুল ফিডিং এর ডিম খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১১ শিক্ষার্থী৷৷  কুমিল্লার  বাঙ্গরাসহ নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন৷৷ ৬ লেন সড়ক ও উপজেলা সহ ৯ দফা দাবীতে কুয়াকাটায় ৩০ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে মানববন্ধন৷৷

দুমকিতে নদীতে মিলছেনা ইলিশ,  স্থানীয় জেলেরা খালি হাতে ঘরে ফিরছেন৷৷ 

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক :-ইলিশের ভরা মৌসুমেও পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা ও লোহালিয়া নদীতে দেখা দিয়েছে ইলিশের তীব্র সংকট। দিনভর নদীতে জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে অধিকাংশ জেলে প্রায় খালি হাতে ঘরে ফিরছেন। এতে উপজেলার বিভিন্ন জেলে পল্লীতে নেমে এসেছে হতাশার ছায়া। মাছ বিক্রি থেকে আয় না থাকায় জেলে পরিবারগুলো আর্থিক সংকট, ঋণের চাপ ও অভাব-অনটনের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে। উপজেলার তিন দিক বেষ্টিত পায়রা ও লোহালিয়া নদী দীর্ঘদিন ধরেই ইলিশ আহরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তবে চলতি মৌসুমে নদীতে ইলিশের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শত শত জেলে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা নদীতে অবস্থান করে জাল ফেললেও পর্যাপ্ত ইলিশ মিলছে না। অনেক সময় জ্বালানি তেল, বরফ ও অন্যান্য খরচের টাকাও মাছ বিক্রি করে ওঠানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

পাংগাশিয়া ইউনিয়নের আলগী জেলে পল্লীর মো. বশির বিশ্বাস, রাজগঞ্জ এলাকার আবুল কালাম এবং আংগারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের জেলে আব্দুল বারেক হাওলাদার বলেন, “আগে এই সময়ে নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া যেত। এখন সারাদিন জাল ফেলেও বেশিরভাগ সময় খালি হাতে ফিরতে হয়। সংসার চালানো, সন্তানের লেখাপড়ার খরচ বহন করা এবং মহাজনের দাদন ও বিভিন্ন এনজিওর ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

জেলে ও সংশ্লিষ্টদের ধারণা, পায়রা নদীর বিভিন্ন অংশে নাব্যতা কমে গিয়ে চর জেগে ওঠা, নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও স্রোতের পরিবর্তনের কারণে ইলিশের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে চলতি মৌসুমে প্রত্যাশিত হারে ইলিশ ধরা পড়ছে না।

ইলিশের এই সংকটের প্রভাব শুধু জেলেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। মাছ পরিবহন, বরফকল, আড়ত এবং খুচরা মাছ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অনেকের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে ইলিশনির্ভর স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, “পায়রা ও লোহালিয়া নদীতে ইলিশ কম ধরা পড়ার বিষয়টি মৎস্য বিভাগ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নদীর নাব্যতা, স্রোতের পরিবর্তন, আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে মাছের বিচরণে প্রভাব পড়তে পারে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad