
মোঃ মোতাহের হোসেন সেলিম ‘বিশেষ প্রতিবেদক :-সরকারি উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে চালু হওয়া স্কুল টিফিন কর্মসূচি ইতোমধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। টিফিন চালুর পর থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ঝরে পড়ার হারও কমেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।বর্তমানে বরুড়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে বনরুটি, ডিম,কলা, দুধ, বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন একই ধরনের খাবার পরিবেশন করায় শিশুদের মধ্যে একঘেয়েমি ও অনীহা দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী বলছে, “প্রতিদিন একই খাবার খেতে ভালো লাগে না।”কিছু শিক্ষার্থী আবার টিফিন না খেয়ে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকদের মতে, খাবারে বৈচিত্র্য না থাকায় শিশুদের আগ্রহ কমছে। তারা চায় সপ্তাহভিত্তিক ভিন্নধর্মী পুষ্টিকর খাবার—যেমন খিচুড়ি, ফল, সবজি স্যান্ডউইচ, কেক, জুস, লুচি কিংবা স্থানীয় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার যুক্ত করা হোক।অভিভাবকরাও মনে করেন, শিশুদের বয়স ও রুচির কথা বিবেচনায় এনে টিফিন তালিকায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তাদের মতে, খাবারে বৈচিত্র্য এলে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে টিফিন গ্রহণ করবে এবং পুষ্টি কর্মসূচির লক্ষ্য আরও সফল হবে।শিক্ষাবিদদের ভাষ্য, “শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাবারের প্রতি আগ্রহ ধরে রাখাও জরুরি। তাই একঘেয়ে মেনুর বদলে পুষ্টিগুণ বজায় রেখে বৈচিত্র্যময় টিফিন চালু করা উচিত।”সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে এখন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটাই দাবি—“প্রতিদিন একই নয়, চাই বৈচিত্র্যময় পুষ্টিকর টিফিন।”