1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
রোজ একই টিফিনে শিশুদের অনীহা: বিকল্প খাবারের দাবি বরুড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে” - অপরাধ সংবাদ
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের আড়িয়ল উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় জলবায়ু কর্মসূচি ২০২৬ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, র‍্যালি ও আলোচনা সভা রোজ একই টিফিনে শিশুদের অনীহা: বিকল্প খাবারের দাবি বরুড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে” ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  চান্দুরায় এমপি নাদিয়া পাঠান পাপনের বরাদ্দে রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু,: পটুয়াখলীর গলাচিপায় ইউনিয়ন বিভক্তিতে  নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব৷৷ বিজয়নগরে ৩ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা সম্পন্ন: ৩ কৃষককে সম্মাননা৷৷ বীরগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ৷৷ পটুয়াখালীতে ১,৮২১ টি কেন্দ্রে আড়াই লক্ষাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ক্যাপসুল খাওয়ানোর টার্গেট ৷৷ গলাচিপায় খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত” গলাচিপায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন৷৷ পটুয়াখালীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত৷৷

রোজ একই টিফিনে শিশুদের অনীহা: বিকল্প খাবারের দাবি বরুড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে”

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোতাহের হোসেন সেলিম ‘বিশেষ প্রতিবেদক :-সরকারি উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে চালু হওয়া স্কুল টিফিন কর্মসূচি ইতোমধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। টিফিন চালুর পর থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ঝরে পড়ার হারও কমেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।বর্তমানে বরুড়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে বনরুটি, ডিম,কলা, দুধ, বিস্কুট  বিতরণ করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন একই ধরনের খাবার পরিবেশন করায় শিশুদের মধ্যে একঘেয়েমি ও অনীহা দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী বলছে, “প্রতিদিন একই খাবার খেতে ভালো লাগে না।”কিছু শিক্ষার্থী আবার টিফিন না খেয়ে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকদের মতে, খাবারে বৈচিত্র্য না থাকায় শিশুদের আগ্রহ কমছে। তারা চায় সপ্তাহভিত্তিক ভিন্নধর্মী পুষ্টিকর খাবার—যেমন খিচুড়ি, ফল, সবজি স্যান্ডউইচ, কেক, জুস, লুচি কিংবা স্থানীয় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার যুক্ত করা হোক।অভিভাবকরাও মনে করেন, শিশুদের বয়স ও রুচির কথা বিবেচনায় এনে টিফিন তালিকায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তাদের মতে, খাবারে বৈচিত্র্য এলে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে টিফিন গ্রহণ করবে এবং পুষ্টি কর্মসূচির লক্ষ্য আরও সফল হবে।শিক্ষাবিদদের ভাষ্য, “শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাবারের প্রতি আগ্রহ ধরে রাখাও জরুরি। তাই একঘেয়ে মেনুর বদলে পুষ্টিগুণ বজায় রেখে বৈচিত্র্যময় টিফিন চালু করা উচিত।”সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে এখন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটাই দাবি—“প্রতিদিন একই নয়, চাই বৈচিত্র্যময় পুষ্টিকর টিফিন।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad