
ডেক্স রিপোর্ট :- আজ বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করাই এই সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী রাজনৈতিক অপপ্রচারের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন:
একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিকে সংখ্যালঘু ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে চিত্রিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন; ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষায় সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।
বাংলাদেশ যুগ যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের দেশ এবং সরকার সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
বৈঠকে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুণ্যতীর্থ **চন্দ্রনাথ ধামে দেশ-বিদেশ থেকে আসা হাজারো তীর্থযাত্রীদের আবাসন ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।
তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি চন্দ্রনাথ ধামের সিঁড়ি নির্মাণ ও সংস্কার, মন্দিরের আধুনিকায়ন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন।
মন্ত্রীর মূল্যায়ন: দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানের উন্নয়ন কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, বরং পর্যটন, স্থানীয় অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই জনগণের বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার এসব স্থানের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাইসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ছবি :- সংগৃহিত৷