1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মেঘনার ভাওরখোলায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: সাংবাদিকদের লেখালেখির পর অভিযুক্ত আটক বিজয়নগরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কৃষিজমি রক্ষায় জিরো টলারেন্স: চৌদ্দগ্রামে অবৈধ মাটি কাটায় লাখ টাকা দণ্ড” সোনাই নদীতে অবৈধ বাঁধ অপসারণে প্রশাসনের অভিযান আখাউড়ায় সনদহীন চিকিৎসা: নয়ন ফার্মেসি মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। চৌদ্দগ্রামে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত। নেত্রকোণা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযানঃ ৪৩ বোতল ভারতীয় মদসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক বিজয়নগরে যুবলীগ নেতা কাউছার গ্রেপ্তার মেঘনার শিকিরগাঁওয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান: ১৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে কম্বল বিতরণ

যেসব পুলিশ সদস্য এখনো পর্যন্ত কাজে যোগদান করেননি, লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদের আর যোগদান করতে দেওয়া হবে না।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর সংবাদদাতা:-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, যেসব পুলিশ সদস্য এখনো পর্যন্ত কাজে যোগদান করেননি, লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদের আর যোগদান করতে দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নিশ্চয়ই তাঁরা কোনো অপকর্মে জড়িত ছিলেন, এ কারণে কাজে যোগদান করছেন না।

আজ বুধবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪০তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডার কর্মকর্তা ও ২৫তম ব্যাচ (পুরুষ) রিক্রুট সিপাহিদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘এখনো কাজে যোগ দেয়নি এমন পুলিশের সংখ্যা খুবই নগণ্য। আমরা তাঁদের ব্যাপারে তথ্য অনুসন্ধান করছি। আপনারাও তাঁদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে আমাদের জানাতে পারেন।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ,  অতিরিক্ত মহাপরিচালক, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট, উপমহাপরিচালকবৃন্দ, বাহিনীর পরিচালকেরাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে আনসার বাহিনীর গৌরবদীপ্ত ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং একই সঙ্গে তিনি জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারের পতনে শহীদ সব ছাত্র-জনতাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকার পতনের পর বাংলাদেশ আজ নবজাগরণে উজ্জীবিত। বিগত সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের হতে পারেনি বলেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার সরকার দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মাহুতি দিয়েছেন আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, ইয়ামিন ও ফাইয়াজদের মতো হাজারো ছাত্র-জনতা। আপনাদের কাছে আমার চাওয়া, দেশ ও জনগণের কল্যাণে আপনারা নিজেদের সঁপে দিয়ে সততা, নিষ্ঠা ও ন্যায্যতার মাপকাঠিতে কাজ করবেন। আপনাদের সবার সহযোগিতায় বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।

সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সেনাবাহিনীকে যে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়া হয়েছে, এর সুফল ভোগ করবে বাংলার জনগণ। সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছে, তাই তাদের একটা ক্ষমতার ভেতরে কাজ করতে হবে। আমাদের অন্যান্য বাহিনীরও কিছু স্বল্পতা রয়েছে, এটা পূরণ করার জন্য সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দরকার।

জুলাই বিপ্লবের পর দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতির সময় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে যে সাহসী ভূমিকা রেখেছে, সে জন্য বাহিনীর সবার প্রতি ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর যখন ট্রাফিক, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শূন্য হয়ে গিয়েছিল, তখন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানে এগিয়ে এসেছে। বিশেষ করে আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ডিএমপির থানাগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ছয়জন বিসিএস কর্মকর্তা ও ৯০৮ জন রিক্রুট সিপাহি সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাদের জন্য নির্ধারিত মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেন। বিসিএস কর্মকর্তারা ১২ মাস মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং একই সঙ্গে মাস্টার্স অব হিউম্যান সিকিউরিটি (এমএইচএস) কোর্স সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে রিক্রুট সিপাহিরা ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

ছবি:-সংগৃহীত

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট