1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
পটুয়াখলীর গলাচিপায় ইউনিয়ন বিভক্তিতে  নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব৷৷ - অপরাধ সংবাদ
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  চান্দুরায় এমপি নাদিয়া পাঠান পাপনের বরাদ্দে রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু,: পটুয়াখলীর গলাচিপায় ইউনিয়ন বিভক্তিতে  নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব৷৷ বিজয়নগরে ৩ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা সম্পন্ন: ৩ কৃষককে সম্মাননা৷৷ বীরগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ৷৷ পটুয়াখালীতে ১,৮২১ টি কেন্দ্রে আড়াই লক্ষাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ক্যাপসুল খাওয়ানোর টার্গেট ৷৷ গলাচিপায় খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত” গলাচিপায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন৷৷ পটুয়াখালীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত৷৷ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে  ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে৷৷  চীনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’ এ   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক ”

পটুয়াখলীর গলাচিপায় ইউনিয়ন বিভক্তিতে  নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব৷৷

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী  থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক:-
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাবেক গোলখালী ইউনিয়নের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ফলে সাবেক গোলখালী ইউনিয়ন বিভক্ত হয়ে গোলখালী ও নলুয়াবাগী নামে দুটি পৃথক ইউনিয়ন গঠিত হওয়ায় নির্বাচনী হিসাব-নিকাশও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।
নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, নলুয়াবাগী ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৯৪১ জন। অন্যদিকে নতুন গোলখালী ইউনিয়নে সাবেক গোলখালী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ৯ হাজার ৮৯৯ জন এবং হরিদেবপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ১১ হাজার ৭৪০ জন ভোটার নিয়ে নতুন ভোটের সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে সাবেক গোলখালী ইউনিয়নে নলুয়াবাগী এলাকায় ভোটার সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানকার প্রার্থীরাই চেয়ারম্যান নির্বাচনে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতেন। ফলে সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার অনুভূতি ছিল বলে অনেকে মনে করেন।
তবে ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়ার পর এবার সেই চিত্র বদলাতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সৎ ভাবমূর্তি, জনসম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ—এসব বিষয়ই প্রার্থীদের সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের আস্থা কারা অর্জন করতে পারবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রচারণা, জনসমর্থন এবং ভোটের ফলাফলের ওপর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad