লেখক:এ. মাহমুদ হাসান রায়হান ' সাংবাদিক ও সমাজকর্মী
সোমবার গতকাল রাত আটটার দিকে একটি সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি পটুয়াখালীর নিষিদ্ধ পল্লীতে একজন মানুষ মারা গিয়েছেন। তথ্য সংগ্রহ করতে আমি যখন সেখানে যাই এর মধ্যে আমাদের পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তিনি চলে আসেন। তিনি আমাদের সাথে নিয়ে সেই ঘরে প্রবেশ করেন যে মহিলার কাছে তিনি এসেছিলেন তার সাক্ষাৎকার নেই, এবং তিনি যা বলেছেন সেই কথা নাই বলে,,,,,,
তবে যখন তার মরদেহ সেই ঘর থেকে সামনে নামানো হয় তখন তার আত্মীয়-স্বজন যে দুই জন এসেছিলেন তারা সেই অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যাচার ধরতে নারজ কারণ সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মিডিয়ার লোকজন তারা ফুটেজ নিবে এজন্য। স্থানীয় কয়েকজনকে সেই স্ট্যাচার ধরার জন্য অনুরোধ করলেও কেউ সামনে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মিনিটের মত অনুরোধ করতেছিল কেউ একজন স্ট্যাচার টি ধরে এম্বুলেন্স উঠিয়ে দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে নাই।
তখন আমি বলি আমি ধরবো তার সাথে এম্বুলেন্সের যিনি ছিলেন তিনি এগিয়ে এসেছেন আর পুলিশের একজন কর্মকর্তা ও ডোম ঘরের একজন কর্মকর্তা মিলে সামনে নিয়ে আসি।
স্ট্যাচার ধরা অবস্থায় সেই ফুটেজ অনেকে আমাকে মেসেঞ্জার ও মেনশন দিচ্ছেন তাদেরকে বলব যিনি চলে গেছেন তিনি তো চলে গেছেনিই পরিবারবর্গ তাদের কি অবস্থায় রেখে গেছেন। আমি ভাই তারে একজন মানুষ হিসাবে দেখেছি এবং এই কাজটি করেছি। এতে আমার কোনো কিছু ভাবতে হয় নাই।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ জসীম উদ্দীন খোকন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৮/বি টয়েনবি সার্কুলারর রোড, মতিঝিল বা/এ ,ঢাকা -১০০০
মোবাইল: ০১৭১১৭৮৫৯৯৮, ০১৭৩৩৭০২৮৬৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত