1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
বাউফলে অবাধে চলছে নিষিদ্ধ চাঁই জাল দিয়ে মাছ শিকার, হারিয়ে যাচ্ছে দেশী প্রজাতির মাছ!! - অপরাধ সংবাদ
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে ৭,৫০০ পিস ই/য়াবা/সহ এক ব্যবসায়ী আ/টক ৷৷ বাউফলে অবাধে চলছে নিষিদ্ধ চাঁই জাল দিয়ে মাছ শিকার, হারিয়ে যাচ্ছে দেশী প্রজাতির মাছ!! সাগরে মিলছে না কাঙ্খিত মাছ, দিশেহারা জেলেরা৷৷ কর্ণফুলী এক্সপ্রেসে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ৷৷ প্রবাসী নারীর অভিযোগে বরুড়ায় পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি গ্রেপ্তার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পার্টনার কংগ্রেস– কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে কৃষকদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত৷৷  সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি! ২৭ জুনের মধ্যে দাবি মানা না হলে সারা দেশের গ্রাহকদের ঢাকায় এনে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও৷৷  ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করাই এই সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।—– মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগরে ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় বখাটে যুবকের  ১ মাসের কারাদন্ড৷৷  অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ‎

বাউফলে অবাধে চলছে নিষিদ্ধ চাঁই জাল দিয়ে মাছ শিকার, হারিয়ে যাচ্ছে দেশী প্রজাতির মাছ!!

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক:-
‘মাছে-ভাতে বাঙালি’—শতবর্ষের পুরোনো এই প্রবাদ শুধু বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নয়, বরং তার সংস্কৃতি ও জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। তবে সেই ঐতিহ্য আজ কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কবলে চরম হুমকির মুখে। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জ্বাল চায়না দুয়ারী (চাঁই জাল)। অবাধে চলছে মাছ শিকার, চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে দেশী প্রজাতির মাছ। যার কারনে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিলের দেশী প্রজাতির মাছগুলো দিন দিন  বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলার কালাইয়া, কাছিপাড়া, কালিশুরি, নুরাইনপুর, কনকদিয়া ও বগাসহ বিভিন্ন বাজারে দেশীয় মাছের সংকট এখন প্রকট। এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে নিষিদ্ধ চায়নার তৈরি কারেন্ট জাল, ম্যাজিক জাল, সুতিজাল, বেহুন্দী, ভেসাল এবং রিং জালের অবাধ ব্যবহার। বর্ষা শুরু হতেই এসব জালের মাধ্যমে ডিম ছাড়ার আগেই পোনা মাছ নির্বিচারে ধরা হচ্ছে, ফলে প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র ভয়াবহভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, উপজেলার কালাইয়া, কালিশুরি, বগা বন্দরসহ বিভিন্ন ছোট-বড় বাজারে এসব নিষিদ্ধ জাল কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে বিক্রি করছেন  প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে। এতে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে।
এক সময়ের পরিচিত দেশীয় মাছ যেমন—বোয়াল, গজার, শোল, মাগুর, শিং, কৈ, স্বরপুটি, রুই, কাতলা, মৃগেল, পাবদা, আইড়, বাইম, খলসে, রিটা, রঙিন বেতাগা, বাশঁপাতা, রয়না ও কালিবাউস—আজ বিলুপ্ত প্রায়। এর মধ্যে রঙিন বেতাগা, রিটা, পাবদা, বোয়াল, আইড়, বাশঁপাতা ও রয়না—এই জাতের মাছ তো একেবারে চোখেই পড়ে না।
বর্ষায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসাধু ব্যক্তি ও চক্রগুলো শুধু নিষিদ্ধ জালই নয়, বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করেও মাছ ধরছে। শুষ্ক মৌসুমে একাধিকবার পুকুর সেচে মাছ আহরণ এবং সরকারি খাল-বিল ব্যক্তিগতভাবে দখলের ফলে শুধু মাছ নয়, জলজ সাপ, ব্যাঙ, শামুক ও নানা জলজ প্রজাতি নিশ্চিহ্ন হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, “চায়না রিং জাল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এটি দেশের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করছে। আমরা সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছি এবং বিভিন্ন সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। তবে জনবল ও সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থানীয়দের সহযোগিতা।”
এ বিষয়ে পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন “সেইভ দি বার্ড এন্ড-বি” এর পরিচালক এম এ বাসার বলেন, “এই নিষিদ্ধ চায়না রিং সহ অন্যান্য জালে বড় ছোট রেনু সহ সবকিছু আটকে যায় , ফলে দেশীয় প্রজাতির হরেক রকম মাছ হাড়িয়ে যাওয়ার পিছনে এই জালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শুধু অভিযান চালিয়ে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, সচেতন জনগণের অংশগ্রহণ এবং আইনের বাস্তবায়ন।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad