1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
বিজয়নগরে টানা ৫ দিন জ্বালানি সংকট: থমকে গেছে চাকা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ - অপরাধ সংবাদ
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে সাগর উত্তাল, মাছের অকাল, নিরাপদ আশ্রয়ে হাজার হাজার মাছধরা ট্রলার৷ মসজিদ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা চুরি, সিসিটিভি দেখে আটক ২ সংবাদ প্রকাশের জেরে  ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে  মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। দিওড় ইউনিয়নে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষক দলের উদ্যোগ৷৷  চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাওছার মিয়ার জনসেবামূলক উদ্যোগ পটুয়াখালীতে ১০ দিন ব্যাপী বিসিক উদ্যোক্তা মেলা উদ্বোধন গলাচিপায় জাল-নৌকা নিয়ে ঘাটে জেলেদের ভিড়, চলছে প্রকৃত জেলে শনাক্ত৷৷ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসার আগেই বাতাসে উপকারভোগীদের বসার প্যান্ডেল ভেঙে পড়েছে। বীরগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজা ও ৬০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হাশেম গ্রেপ্তার বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, ৫ কারবারি গ্রেফতার

বিজয়নগরে টানা ৫ দিন জ্বালানি সংকট: থমকে গেছে চাকা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

আবদুল্লাহ আল হৃদয়ঃ–

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় টানা পাঁচ দিন ধরে চলছে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট। ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের সরবরাহ না থাকায় উপজেলার পরিবহন ব্যবস্থা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন চালক, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ পাম্পেই জ্বালানি শূন্য। বিশেষ করে ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ ফিলিং স্টেশনগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে কোনো জ্বালানি নেই। পাম্পের সামনে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে দূরপাল্লার ও স্থানীয় যানবাহনগুলো তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিজয়নগরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার লিটার জ্বালানির চাহিদা রয়েছে। তবে বর্তমানে উপজেলার অন্তত তিনটি প্রধান ফিলিং স্টেশনে কোনো ধরনের জ্বালানি মজুদ নেই। সরবরাহ বন্ধ থাকায় পাম্প কর্তৃপক্ষও অসহায়ত্ব প্রকাশ করছে।
জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে সরাসরি গণপরিবহনে। একাধিক বাস ও ট্রাক চালক আক্ষেপ করে বলেন, “পাঁচ দিন ধরে তেলের জন্য হাহাকার করছি। তেল না থাকায় গাড়ি গ্যারেজে বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। এতে আমাদের রুটি-রুজিতে টান পড়েছে, আর যাত্রীরাও তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না।”
এদিকে জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিসগামী যাত্রী ও সাধারণ মানুষ বলছেন, তেলের অভাবে বাস চলাচল সীমিত হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাদের সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, টানা পাঁচ দিন ধরে এমন অচল অবস্থা চললেও সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যেও বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বিজয়নগরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অন্যথায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad