1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রেজা হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংসদ নির্বাচনের বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভিযোগ দিয়েছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা। - অপরাধ সংবাদ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জুলাই মাসে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে আবারো দেশসেরা গলাচিপার ইউএনও ইজাজুল৷৷ দুমকিতে মা/দ/কের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত৷৷ পবিপ্রবির রিজেন্ট বোর্ডে রাষ্ট্রপতির মনোনয়ন পেলেন তিন শিক্ষাবিদ৷৷ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে  পটুয়াখালীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা৷৷ মির্জাগঞ্জে এসএসসি ও দাখিলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ শিক্ষার্থী৷৷ গলাচিপায় আধা কিলোমিটার কাঁচা সড়কে চরম দুর্ভোগ, সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর৷৷ গলাচিপায় আধা কিলোমিটার কাঁচা সড়কে চরম দুর্ভোগ, সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর৷৷ হাসপাতাল থেকে অন্ধ নারীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ! অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ৷৷  দিনাজপুরে পরিবহন শ্রমিক নেতা কে  গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে  পরিবহন ধর্মঘট,সড়কে শ্রমিকদের অবস্থান৷৷ দুমকিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ; অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ৷৷

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রেজা হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংসদ নির্বাচনের বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভিযোগ দিয়েছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

জানা যায়, সাম্প্রতিক নির্বাচনে কুমিল্লা জেলা পোস্টাল ব্যালটের সংখ্যায় ছিল দেশের শীর্ষে, আর ২য় অবস্থানে ছিল ঢাকা। কুমিল্লায় প্রাপ্ত পোস্টাল ব্যালট সংখ্যা প্রায় ৮১ হাজার। যা প্রায় ২০টি ভোটকেন্দ্রের ভোটার সংখ্যার সমান।

প্রতিনিয়ত ডাক বিভাগ থেকে ব্যালট গ্রহণ, স্ক্যানিং থেকে সংরক্ষণ পর্যন্ত ডিসি অফিসের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের বড় অংশের প্রায় ১ মাস ধরে রাতদিন পরিশ্রম করতে হয়েছে এ কাজে। কিন্তু তাদের বরাদ্দের টাকা দেয়া হয়নি।

অন্যদিকে কুমিল্লা জেলার ১৭ উপজেলায় ২ জন করে ৩৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের কথা থাকলেও ৮ জন ম্যাজিস্ট্রেট সংকট থাকায় ডিসি অফিস থেকে ১২ জন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ১৪ জন মোট ২৬ জনকে প্রায় দুই মাসব্যাপী আচরণ বিধি প্রতিপালনের জন্য আদেশ করা হয়। কিন্তু বরাদ্দপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন থেকে মোট ৩৪ জন ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়, যার পুরোটাই উত্তোলন করা হয়েছে।

এছাড়া, ম্যাজিস্ট্রেটদের নামে আপ্যায়ন বাবদ ৯০ হাজার ও জ্বালানি বাবদ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হলেও তাঁদের ২০ হাজার – ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের বাংলোতে ডেকে জোরপূর্বক সকল টাকা গ্রহণের স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। দুই মাস ধরে মোবাইল কোর্ট করলেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) দের জ্বালানির ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার কোন টাকাই তাদের পরিশোধ করা হয়নি।

আবার ম্যাজিস্ট্রেটদের সাথে দায়িত্ব পালনকারী মোবাইল কোর্টের প্রত্যেক পেশকারের (৩য় শ্রেণীর কর্মচারী) জন্য বরাদ্দকৃত ২২ হাজার ৫০০ টাকাও নিয়োজিত পেশকারদের দেয়া হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad