1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
ঢাকা-১৩, গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। - অপরাধ সংবাদ
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ‎ সিরাজগন্জের কাজীপুর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মাসিক মিটিং সভা অনুষ্ঠিত৷৷      ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও গাজীপুরে সেনাবাহিনী মোতায়েন৷৷   টেলিভিশন চ্যানেলের ওয়েবসাইটের অনুকরণে অপতথ্য ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ১৬ টি ভুয়া ওয়েবসাইট ও ৪০০ অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত’৷৷  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘১৪ মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার৷৷  জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) অনিয়ম ঠেকাতে  নির্বাচন ভবনের আশপাশের অবৈধ কম্পিউটারের দোকান উচ্ছেদে ইসির চিঠি৷৷  ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ২২০৷৷ বাউফলে নেই শিক্ষার্থী তবুও চলছে ১৭জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম! পটুয়াখালীতে সাগর উত্তাল, মাছের অকাল, নিরাপদ আশ্রয়ে হাজার হাজার মাছধরা ট্রলার৷ মসজিদ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা চুরি, সিসিটিভি দেখে আটক ২

ঢাকা-১৩, গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে ঢাকা-১৩, গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত এই আসনগুলোর নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট আসনের অন্য প্রার্থীদের প্রতি নোটিশ জারি করেছেন।
ঢাকা-১৩ আসনে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছিলেন খেলাফত মজলিস ও জামায়াত জোটের প্রার্থী মামুনুল হক। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ববি হাজ্জাজ। আদালত এই আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা-১৩ ছাড়াও বিএনপির চারজন হেভিওয়েট প্রার্থীর করা আবেদন আমলে নিয়েছেন আদালত। তারা হলেন—গাইবান্ধা-৫ আসনের ফারুক আলম সরকার, ঢাকা-৫ আসনের নবী উল্লাহ নবী, পাবনা-৩ আসনের হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দায়ের করা নির্বাচনী আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে এই বিশেষ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চে বর্তমানে এসব আবেদনের শুনানি চলছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত বিএনপির ১৪ জন, ১১ দলীয় জোটের ৯ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ২৫ জনের বেশি প্রার্থী ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছেন। আদালত প্রতিটি আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে বিশেষ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতের এই আদেশের ফলে বিতর্কিত আসনগুলোর ভোট পুনর্গণনা বা তদন্তের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলো। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের নোটিশের জবাব দাখিলের পর আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad