
আবদুল্লাহ আল হৃদয়ঃ–
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী লড়াকু সৈনিক নাদিয়া পাঠান পাপনকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় বিজয়নগরবাসী। বিগত সরকারের আমলে অসংখ্য হামলা-মামলা ও কারাবরণের শিকার হওয়া এই ত্যাগী নেত্রীকে যোগ্য সম্মান প্রদানের দাবি এখন তৃণমূলের মুখে মুখে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাদিয়া পাঠান পাপন দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতির সাথে জড়িত এবং দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ঢাকার রাজপথে তার সাহসী পদচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। দলের দুঃসময়ে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকায় তাকে বহুবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। মিথ্যা মামলায় জেল খাটতে হয়েছে এবং বারবার পুলিশি নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবুও তিনি পিছু হটেননি, বরং অকুতোভয় সৈনিকের মতো দলের আদর্শকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে গেছেন।
বিজয়নগরের সাধারণ মানুষের মতে, নাদিয়া পাঠান পাপন একজন পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ বিএনপির নেত্রী। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেত্রী সবসময় এলাকার মানুষের সুখে-দুখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে নারীদের অধিকার আদায় ও এলাকার উন্নয়নে তার দীর্ঘদিনের কাজ তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান দিয়েছে।
চান্দুরার স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, “নাদিয়া পাঠান পাপন আমাদের এলাকার মেয়ে। তিনি রাজপথে লড়াই করেছেন, জেল খেটেছেন কিন্তু আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। আমাদের বিজয়নগরের উন্নয়নে এবং সংসদে আমাদের কথা তুলে ধরার জন্য তার মতো একজন সাহসী ও ত্যাগী নেত্রীকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে প্রয়োজন।”
বিজয়নগরের রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করছেন, যারা দলের জন্য রক্ত ও ঘাম ঝরিয়েছেন, রাজপথে নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা হলে রাজনীতিতে সৎ ও সাহসী নেতৃত্ব আরও বিকশিত হবে। নাদিয়া পাঠান পাপনের মতো একজন সংগ্রামী নারীকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হলে সেটি হবে ত্যাগী কর্মীদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দল ও সরকার বিজয়নগরের গণমানুষের এই প্রাণের দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং নাদিয়া পাঠান পাপনকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনীত করে এলাকার সেবা করার সুযোগ প্রদান করবে।