
কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
কচুয়া উপজেলায় দিন-রাত অবাধে চলছে অবৈধ ভেকু দিয়ে ফসলি জমির মাটি কাটার মহোৎসব। উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) একাধিকবার মুঠোফোনে বিষয়টি অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ভেকু দিয়ে গভীর করে মাটি কেটে নেওয়ায় একের পর এক ফসলি জমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। কৃষকেরা জানান, বছরের পর বছর মাটি কাটার ফলে জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে চাষাবাদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
স্থানীয়রা বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে ও গভীর রাতেও ভেকু চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো অভিযান চোখে পড়ছে না। ইউএনওকে সরাসরি ফোনে জানানো হলেও কোনো তৎপরতা না থাকায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—কচুয়া উপজেলা রক্ষার দায়িত্ব আসলে কার?
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রশাসনের নীরবতা কিংবা দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে কোটি টাকার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, পাশাপাশি কৃষিনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকাও হুমকির মুখে পড়ছে।
জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি আশ্রাফপুর ইউনিয়নে অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে তথ্য দেওয়া হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরেজমিনে পরদিন ৫ জানুয়ারি ছাঙ্গিনী গ্রামের পূর্ব মাথা এলাকায় অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি কাটতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
পাট ৩ আসতেছে………