1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
জানতে চান ১৬ বছর কোথায় ছিলাম ?হাবিব উন নবী খান সোহেল - অপরাধ সংবাদ
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ‎ সিরাজগন্জের কাজীপুর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মাসিক মিটিং সভা অনুষ্ঠিত৷৷      ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও গাজীপুরে সেনাবাহিনী মোতায়েন৷৷   টেলিভিশন চ্যানেলের ওয়েবসাইটের অনুকরণে অপতথ্য ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ১৬ টি ভুয়া ওয়েবসাইট ও ৪০০ অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত’৷৷  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘১৪ মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার৷৷  জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) অনিয়ম ঠেকাতে  নির্বাচন ভবনের আশপাশের অবৈধ কম্পিউটারের দোকান উচ্ছেদে ইসির চিঠি৷৷  ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ২২০৷৷ বাউফলে নেই শিক্ষার্থী তবুও চলছে ১৭জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম! পটুয়াখালীতে সাগর উত্তাল, মাছের অকাল, নিরাপদ আশ্রয়ে হাজার হাজার মাছধরা ট্রলার৷ মসজিদ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা চুরি, সিসিটিভি দেখে আটক ২

জানতে চান ১৬ বছর কোথায় ছিলাম ?হাবিব উন নবী খান সোহেল

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫
  • ১০৪৫ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি:

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেছেন, ষোল বছর কোথায় ছিলাম জানতে চান? ষোল বছর পালিয়ে ছিলাম। ষোল বছর জেলখানায় ছিলাম, হাসপাতালে ছিলাম, রক্তাক্ত শরীর নিয়ে পরিবারের বোঝা হয়ে আমরা ছিলাম। শুধু বিএনপি করার কারণে কত শত সূয্য সৈনিকদের সংসার ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। রোববার (২৫ মে) নেত্রকোণার বারহাট্টায় বিএনপির দ্বি—বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোহেল বলেন, আমাদের অনেক সহযোদ্ধা ভালোবেসে বিয়ে করেছিল। মিথ্যা মামলায় মাসের পর মাস গেলেও যখন জেল থেকে বের হয় না তখন তার প্রেমিকা তার স্ত্রী তালাক দিয়ে অন্যের বাড়িতে চলে গেছে। এভাবে কত সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে শুধু বিএনপি করার কারণে। আর আজকে শুনতে হয় ষোল বছর কোথায় ছিলেন, কী করেছেন। আমরা জানতে চাই ষোল বছর আপনারা কোথায় ছিলেন? তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে যদি বিএনপি না থাকত, তাহলে নেপালের মতো ভারতের রুপি নিয়ে বাজারে গিয়ে বাজার করতে হতো। টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিবাদ জিয়ার সৈনিকেরা করেছিল। টিপাইমুখের বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে জিয়ার সৈনিক ইলিয়াস আলী ঘরে বসে থাকতে পারেনি। লংমার্চ নিয়ে ছুটে গিয়েছিল বর্ডারে। সে সুবাদে ইলিয়াস আলীর সন্তান তার পিতাকে খুঁজে পায় না। ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তার স্বামীকে খুঁজে পায় না। এখন বলেন আমরা ভারতের দালালি করি। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে বলেছি। পরক্ষণেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। একদল বলছে ভোটের কথা বলা যাবে না। আমরা কি প্রধান উপদেষ্টার কাছে সিনেমা দেখতে যাব। একটি পলিটিক্যাল পার্টি চাইবে মানুষের ভালোবাসা, জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। সোহেল বলেন, আমরা তো ভাই আওয়ামী লীগ না। টাকলা মুরাদের মতো নায়িকা চাই না। আমরা মমতাজের মতো সংসদে গিয়ে গান গাইতে চাই না। চাই না ওবায়দুল কাদেরের মতো খেলা হবে ডায়লগ দিতে। আমরা শহীদ জিয়ার সৈনিক। আমরা চাই জনগণের জন্য কাজ করার পরিবেশ। এনসিপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তোমরা দল করেছ ভালো হয়েছে। দল কর, জনগণের মাঝে যাও, কাজ কর। কিন্তু এখন শুনি সেই এনসিপি নাকি ক্ষমতায় যাওয়ার পরিবেশ না আসা পয্যন্ত নির্বাচনে যাবে না। আরে ভাই নির্বাচন এত ছোট জিনিস নয়। এই যে বারহাট্টায় এসেছি এখানে কোনো গ্রামে আপনাদের সংগঠন আছে? নেই। কিন্তু বাংলাদেশে এমন কোনো গ্রাম বাকি নেই যেখানে বিএনপির কোনো কর্মী নেই, সমর্থক নেই। বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হক। প্রধান বক্তা ছিলেন শরীফুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক, ময়মনসিংহ বিভাগ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, অ্যাডভোকেট শাহ ওয়ারেছ আলী মামুন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক, ময়মনসিংহ বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad