1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
বাংলাদেশী এক যুবক হত্যার অভিযোগ ভারতীয় বিএসএফ বিরুদ্ধে - অপরাধ সংবাদ
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পবিপ্রবি’র মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে সংবর্ধনা প্রদান৷৷  এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পটুয়াখালীতে বইছে আনন্দের বন্যা!! কুষ্টিয়ায় মায়ের ত্যাগ আর সিদ্ধার্থের পরিশ্রমে এলো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য জিপিএ -৫৷৷ খড়মপুর শাহ্ পীর কল্লাহ্ শহীদের ওরশ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার৷৷  বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় স্বীকৃতি পেল অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী৷৷  গলাচিপায় সর্প দংশনে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন৷৷  পটুয়াখালীতে মা/দক মা/মলায় সা/জাপ্রা/প্ত পলাতক আসামি গ্রে/প্তার৷৷ পটুয়াখালী শহরে চোরের উপদ্রুপ বৃদ্ধি, আ/ত/ঙ্কে ব্যবসায়ীরা৷৷ মাধবপুরে লরি-ট্রাকের সংঘর্ষ, সিএনজির ওপর ট্রাক উঠে নিহত ২৷৷

বাংলাদেশী এক যুবক হত্যার অভিযোগ ভারতীয় বিএসএফ বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

আববদুল্লাহ আল হ্নদয়ঃ-

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের সেজামোড়া গ্রামের মুন্না নামের এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।
৮ এপ্রিল ২০২৫ইং তারিখ মঙ্গলবার বিকেলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত মুরাদ হোসেন মুন্নার পরিবার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করলেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ করেনি। তাই এ বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি মকুন্দুপুর বিজিবি থেকে।
নিহত মুন্না বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের সেজামোড়া এলাকার মৃত হাজী ফজলুর রহমানের ছেলে।
নিহত মুন্নার ভাগিনা মো. বাপ্পি সরকার বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে মুন্না মামা কৃষিজমিতে কাজ করছিলেন। তখন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ সীমান্তের পিলার দেখতে এসে মামাকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর মামাকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যায় পরবর্তীতে মাগরিবের আগমুহূর্তে মামার সারা শরীর ও মাথায় মারধর করে কাটা তারের বাইরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ফেলে রেখে যায়। সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সেজা মুড়া গ্রামের রুমান বলেন, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পিলার নম্বর ২০০৮ এর s৬ থেকে s৭ পিলারের কাছে বিএসএফ ডেকে নিয়ে মুন্নাকে মারধর করে অবচেতন করে সীমান্তে ফেলে গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে বাড়ি নিয়ে আসার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে, মকুন্দুপুর বিজিবি ক্যাম্পে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।মৃত্যু মুন্নার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad