1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : aparadhsangbad :
  কুমিল্লায়  সরকার বিরোধী  আন্দোলনকে ঘিরে  মাঠে ছিলেনা না এমপিরা। - অপরাধ সংবাদ
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পবিপ্রবি’র মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে সংবর্ধনা প্রদান৷৷  এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পটুয়াখালীতে বইছে আনন্দের বন্যা!! কুষ্টিয়ায় মায়ের ত্যাগ আর সিদ্ধার্থের পরিশ্রমে এলো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য জিপিএ -৫৷৷ খড়মপুর শাহ্ পীর কল্লাহ্ শহীদের ওরশ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার৷৷  বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় স্বীকৃতি পেল অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী৷৷  গলাচিপায় সর্প দংশনে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন৷৷  পটুয়াখালীতে মা/দক মা/মলায় সা/জাপ্রা/প্ত পলাতক আসামি গ্রে/প্তার৷৷ পটুয়াখালী শহরে চোরের উপদ্রুপ বৃদ্ধি, আ/ত/ঙ্কে ব্যবসায়ীরা৷৷ মাধবপুরে লরি-ট্রাকের সংঘর্ষ, সিএনজির ওপর ট্রাক উঠে নিহত ২৷৷

  কুমিল্লায়  সরকার বিরোধী  আন্দোলনকে ঘিরে  মাঠে ছিলেনা না এমপিরা।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০২৪
  • ৪১৯ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স রিপোর্ট
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে বিএনপি-জামায়াত যখন কুমিল্লাকে দখল নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল তখন আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতা ছিলেন নিষ্ক্রিয়। বড় পদধারী নেতাদের বেশিরভাগই ছিলেন ‘হাওয়া’। তবে একদিন কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পৃথক পৃথকভাবে উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল মিছিল ও সমাবেশের। এর বাইরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় মহানগর আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের কিছুটা উপস্থিত দেখা গেলেও তৎপরতা দেখা যায়নি অন্য উপজেলার নেতাকর্মীদের। এদিকে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতারোধে দলের এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। কঠিন সময়ে মাঠে ছিলেন না বেশিরভাগ এমপি। দলীয় এগারো এমপির এখনও দেখেননি এলাকার মানুষ। এছাড়া আন্দোলন ভয়াবহ দেখা দেওয়ায় চিকিৎসাসহ নানা অজুহাতে বিভিন্ন দেশে পারি জমান কয়েকজন এমপি। জানা গেছে, ১৮ জুলাই থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম পার্শ্ববর্তী কোটবাড়ি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় শিক্ষার্থীরা। এই সংঘর্ষ কুমিল্লার পদুয়া বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ১৯ জুলাই দিবাগত রাত ১২টায় কারফিউ জারির আগ পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) সামনে থেকে কোটবাড়ি পর্যন্ত ছিল রণক্ষেত্র। ওই এলাকায় শিবিরের অনেক মেস ও ছাত্রাবাস থাকায় দলটির নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের সাথে মিশে দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। ১৮ জুলাই ছাত্রলীগ কুবির ক্যাম্পাসের দিকে অগ্রসর হতে গেলে তাদের সঙ্গেও সংঘর্ষ বাধে। ঐদিনে বিকেলে টিকতে না পেরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরাও পিছু হটতে বাধ্য হন। একইদিন বিকেল পৌনে ৪টায় দিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় অবরোধ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশের অবস্থান লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন তারা। এতে সদর দক্ষিণ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার ব্যবহৃত গাড়িটি ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। পরের দিনেই পুলিশ ও আন্দোলনকারী মাঝে দিনভর সংঘর্ষে ছাত্র সাংবাদিকসহ আহত হন শতাধিক। এসময় পুলিশের দুটি পিকআপ গাড়ি ও বিজিবির গাড়ি অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। জানা গেছে, সঙ্কটময় এই সময়ে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা ছিলেন ‘রিলাক্স’। এগারো এমপির মধ্যে ওই সময় এলাকায় ছিলেন না কেউ। কুমিল্লা-১১ আসনের এমপি মুজিবুর হক মুজিব কোটা আন্দোলনের সহিংসতার শুরুতে সৌদি-আরবে অবস্থা নেন। কুমিল্লা-৮ আসনের এমপি এস কে শামীম অবস্থান নেন চীনে। এছাড়া বাকী দুই এমপি বিদেশে অবস্থা নেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। বাকী সাতজন ঢাকাতে অবস্থা নেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন উপজেলা শতাধিক নেতাকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নেতারা তো মাঠে নেই। আমরা কর্মীরা কি যুদ্ধ করব? নেতাদের কোনো নিদের্শনা আমাদের দিতে হবে। এ বিষয় জানতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লোটাস কালাম এমপিকে একাধিকবার কল দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রওশন আলী মাস্টার বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সব কিছু খোঁজ খবর রাখছেন। এ বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।
সুত্র দেশ টিভি অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : Aparadhsangbad