1. aparadhsangbad@aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ : অপরাধ সংবাদ
  2. info@www.aparadhsangbad.com : অপরাধ সংবাদ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চৌদ্দগ্রামে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা বরুড়ার মা.দক বিরোধী অভিযান ইয়াবা নগদটাকা সহ আটক ১ কাজিপুরে  আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। ৪০ হাজার ভক্তের ঢল: কালিয়াপুর দরবার শরীফ-এ ১১৪তম ওরশ মোবারক সম্পন্ন সিরাজগন্জের কাজিপুরে  মাদকবিরোধী  অভিযান: ইয়াবাসহ এক যুবক আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড নিবন্ধনহীন অনলাইন পোর্টালের দৌরাত্ম্য: ‘টিভি’ নাম ভাঙিয়ে ভুয়া প্রভাব, ফলোয়ার কিনে প্রতারণার অভিযোগ রাতের অন্ধকারে মাটি কাটা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা ৬০ হাজার যমুনা নদীতে অভিযান: ২ লাখ টাকার জাল জব্দ, এতিমখানায় বিতরণ মাছ শুধু বিএনপি নয় আওয়ামী লীগও আমাকে ভোট দিয়েছে- সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেলিম রেজা এমপি পয়ালগাছা–আদ্রা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দুর্নীতির থাবা খতিয়ান খারিজে অতিরিক্ত আদায়, অবৈধ মাটি কাটা ও সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ হারুনের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৭২৬ বার পড়া হয়েছে

অন্জনা স্টাফ রিপোর্টার- প্রতিনিধিঃ বৈধ কাগজপত্র থাকার পরেও হয়নারীর শিকার হচ্ছেন বলে দাবী করেছেন এক গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ হারুন। তিনি কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর পুত্র। এই ঘটনায় আজ শনিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিএডিসির একটি গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল্লাহ হারুনের পিতা  শাহজাহান আলী। সেসময়ে তার চাচা নুরুল ইসলাম ওই সেচের অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  এরপর ১৯৮৮ সালে ওই সেচের সবকিছু চুরি হয়ে যায়। ফলে তখন থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সংযোগটি পুরোপুরি বন্ধ থাকে।  ২০০৫ সালে পানাসী প্রকল্পের মাধ্যেমে ৯টি পোল μয় করে দফায় দফায় মিটিং করে ৬ জন্য ব্যক্তিকে শেয়ার দিয়ে অনেক অর্থ ব্যয়ে ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়ে সংযোগটি চালু করেন আব্দুল্লাহ হারুন।  এরপর গত ০২/১২/২০১২ তারিখে আবারো ওই সংযোগের ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি হয়ে যায়।  কৃষকের স্বার্থে  ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে আবারো সেটি চালু করেন হারুন।
এরপর ২০১৭ সালে বোরিং নষ্ট হয়ে গেলে হারুন তখনো কৃষকের কথা ভেবে তিনটি শ্যালো মেশিন  ও তিনটি মটর বসিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত কৃষককে সেচ প্রদান করেন।
২০২০ সালে বিএডিসির এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে  সকল প্রক্রিয়া মেনে  সংযোগটি চালু করেন হারুন।
এদিকে পারিবারিক কোন্দলের জের ধরে হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম নিজেকে ওই সেচ সংযোগের ম্যানেজার দাবী করে কাজিপুর সংশ্লিষ্ট অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন এবং সেচ সংযোগটি দখল করেন। পরে এ নিয়ে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেচ কমিটির সভাপতি উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র যাচাই করে আব্দুল্লাহ হারুনকেই বৈধ বলে রায় দেন। এরপর শালিশি বৈঠকে মাইজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সংযোগটি আব্দুল্লাহ হারুনকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তখন থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম সংযোগটি নিয়ে তাকে বারবার হয়রানী করছেন বলে জানান আব্দুল্লাহ হারুন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি হয়রানী বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট